নগরের পাথরঘাটায় আলোচিত রিকশাযাত্রীকে ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃত ছিনতাইকারী হচ্ছে মনির হোসেন (৩৮)। গত শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বাকলিয়া থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারি রিকশা জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনির ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। একইসঙ্গে ঘটনায় জড়িত তার অন্য দুই সহযোগীর নাম ও ঠিকানা জানিয়েছে পৃলিশকে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু যায়েদ মোহাম্মদ নাজমুন নূর।
সিএমপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পাথরঘাটা ১৬ নং সতীশ বাবুর লেনে মুজিবুর রহমানের ছয়তলা ভবনের সামনের রাস্তায় প্যাডেলচালিত রিকশার এক যাত্রীর গতিরোধ করে তিন ছিনতাইকারী। এ সময় ছিনতাইকারীরা ছোরার ভয় দেখিয়ে ওই যাত্রীর কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেয়।
পরে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, দুই ছিনতাইকারী একটি রিকশার যাত্রীকে আটকে ছুরি দেখিয়ে তার কাছে থাকা জিনিসপত্র নেওয়ার চেষ্টা করছে। এ সময় ওই যাত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘দিই দিই, আরে ভাই দিতাছি তো।’ একপর্যায়ে সাদা টি–শার্ট পরা একজন ছিনতাইকারী তার হাতে থাকা ছুরি দিয়ে ওই রিকশাযাত্রীর প্যান্টের পকেট কাটতে শুরু করে। অন্যজনও তার পকেট থেকে জিনিসপত্র বের করার চেষ্টা করে। পরে পকেট কেটে কিছু একটা নিয়ে নেওয়া হয়। এরপর দুই ছিনতাইকারী কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ব্যাটারি রিকশায় উঠে পালিয়ে যায়। এ সময় আশপাশের ভবন থেকে লোকজন ‘মার মার’ বলে চিৎকার করেন। পরে স্থানীয়রা ‘চোর চোর’, ‘ধর ধর’ বলে রিকশাটিকে ধাওয়া দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ছিনতাইকারীদের বহনকারী ব্যাটারি রিকশাটিও দেখা যায়। রিকশাটি নিয়ে এক পাশে দাঁড়িয়েছিল অপর একজন।
পুলিশ জানায়, ঘটনাটি নজরে আসার পর ছিনতাইকারীকে ধরতে অভিযান চালানো হয়। এরপর মধ্যরাতে বাকলিয়া এলাকা থেকে মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় রোববার একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তার মনিরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।












