চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুদিনব্যাপী জাতীয় মডেল লেজিসলেটিভ এসেম্বলি আয়োজন করা হয়েছে। প্রথম দিনের আয়োজন সম্পূর্ণ হয়েছে। দ্বিতীয় দিনের আয়োজন আজকে অনুষ্ঠিত হবে। গতকালের আয়োজনে এতে তিনটি আইনের ওপর আলোচনা করা হয়, এগুলো হলো পরিবেশ সংরক্ষণ আইন–১৯৯৫, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন–২০১২, নিরাপদ খাদ্য আইন–২০১৩। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় চবির আইন অনুষদের অডিটোরিয়ামে শুরু হয় জাতীয় মডেল লেজিসলেটিভ এসেম্বলি।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্–ফোরকান। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জাফর আহমেদ। এতে দেশের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ৩০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্–ফোরকান বলেন, আপনারা যদি আইনপ্রণেতা হিসেবে ভূমিকা রাখতে চান, তবে মানব পাচার রোধে এই মুহূর্তে ঠিক কী ধরনের আইন প্রয়োজন, তা নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা ও বিতর্ক করা উচিত। প্রধান অতিথি বিচারপতি জাফর আহমেদ বলেন, আমাদের দেশের আইন তৈরি হয়, কিন্তু কার্যকর বা বাস্তবায়ন করতে খামখেয়ালিপনা বা সীমাবদ্ধতা দেখা যায়। তাছাড়া সাধারণ মানুষের মাঝে আইন ও অধিকার নিয়ে সচেতনতা তৈরির কোনো স্পষ্ট প্রবণতাও সচরাচর দেখা যায় না। পরিবেশ রক্ষায় আমাদের তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। একইসাথে মানবপাচার রোধে সরকার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সুদৃঢ় সমন্বয় গড়ে তুলে সম্মিলিতভাবে কাজ করা জরুরি। এছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আইনের প্রতি যথাযথ সচেতনতা ও শ্রদ্ধা তৈরি করতে আমাদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, চবি আইন বিভাগের প্রফেসর এ বি এম আবু নোমান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ শামসুল হক, সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ওসমান চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল ইয়াসির। প্রোগ্রাম সমন্বয় করেন নিলস–বাংলাদেশের সভাপতি ও চাকসুর আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি তৌহিদ।












