মানবতা কাঁদে নীরবে নিভৃতে

ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য | বুধবার , ১২ আগস্ট, ২০২৬ at ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

এ সত্যটি আজ তীব্র বিশ্লেষণসাপেক্ষ ও গভীর অনুধাবনযোগ্য। মানুষ যতই সুপারসনিক হয়ে উঠছে, তার অনুভূতি ততো ভোতা হয়ে আসছে, সে ক্রমান্বয়ে মানবিক নিষ্ক্রিয়তায় পতিত হয়ে বেধড়ক প্রহসননির্ভর হয়ে পড়েছে। কানে তুলো, চোখে টুলী এটে তার চারপাশের এতো অজস্র কাণ্ড কীর্ত্তন, নিপীড়ননির্যাতন, খুন, ধর্ষণ, দুর্নীতি বিচার প্রহসন, লুণ্ঠিত আর্ত মানবতার ক্রন্দন না শুনা না দেখার ভান করে। নির্বিবাদে এড়িয়ে যাচ্ছে। জাতির শিক্ষিত সচেতন মানুষের এ হেন পাশ কেটে যাবার প্রবণতা বড়ই করুণ, যেনো কোথাও কোনও মুরুব্বী নেই, গাইড লাইন নেই, যেনো তেনো প্রকারে, রাষ্ট্রীয় সমাজ ব্যবস্থায় উতুঙ্গ হাওয়ায় গা ভাসিয়ে দেয়া। এটাই স্থায়ী বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ, চির অবক্ষয় ও ধ্বংস এ ভাবেই গোটা জাতিকে গ্রাস করে ফেলে। ভালো মন্দ কেউ আর তখন বাছতে পারে না। মসীলিপ্ত ললাটে করাঘাত হেনে একবাক্যে, সবাইকে বলতে হয় হায়! কী হলো, কী হলো। অমানবিক বিষয়গুলোকে পূর্বেই ঠেকানো হলো না কেনো। এ কারণেই বলতে হয়, সৎ অভিভাবক, মুরুব্বীদের সচেতনতার কথা।

অনেকে আছেন কোনও রূপ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না গিয়েও আর্তমানবতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। ধন তাদের সাপোর্টে থাকলেও মনের ঐশ্বর্য ও দায়িত্ববোধ মহান ও বিশাল মর্যাদায় তাদের আদ্ভুত রেখেছে। অমানবিক কূপমণ্ডুকতা কুসংস্কার ঝেটিয়ে বিদায় করে দিয়ে নানাভাবে সমাজ সংস্কার করেছেন, শিক্ষার আলো প্রজ্বলিত করে দিয়েছেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধশ্রাবণের মেঘ
পরবর্তী নিবন্ধদূরের টানে বাহির পানে