২৪ বছর পর আবার ফুটবল বিশ্বকাপে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। তাও আবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। সেই ম্যাচে নামার আগে মাঠের বাইরের লড়াই শুরু করে দিল আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালে লিওনেল মেসিদের সঙ্গে মাঠে নামবেন দিয়েগো ম্যারাডোনাও। আর্জেন্টিনা ফিফার কাছে আবেদন করেছিল, সেমিফাইনালে অ্যাওয়ে জার্সি পরে খেলতে চায় তারা। অর্থাৎ, আকাশি–সাদার বদলে গাঢ় নীল রঙের জার্সি পরে নামার অনুমতি চেয়েছিলেন মেসিরা। সেই অনুমতি দিয়েছে ফিফা। তারা জানিয়েছে, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড তাদের হোম জার্সি, অর্থাৎ সাদা রঙের জার্সি ও আর্জেন্টিনা অ্যাওয়ে জার্সি, অর্থাৎ গাঢ় নীল রঙের জার্সি পরে খেলবে। কিন্তু কেন হঠাৎ অ্যাওয়ে জার্সি পরার আবেদন করল আর্জেন্টিনা? নেপথ্যে রয়েছে ৪০ বছরের পুরনো এক লড়াই। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুদল। সেখানে এই অ্যাওয়ে জার্সি পরেই খেলেছিল আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচেই ম্যারাডোনা ‘হ্যান্ড অফ গড’ এবং শতাব্দীর সেরা গোল দুটিই করেছিলেন। ২–১ গোলে জিতেছিল আর্জেন্টিনা। সে বার বিশ্বজয়ী হয়েছিল তারা। সেই ম্যাচের পর আর মাত্র দুই বার ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ১৯৯৮ ও ২০০২ সালে। ১৯৯৮ সালে টাইব্রেকারে ৪–৩ গোলে জিতেছিল আর্জেন্টিনা। ২০০২ সালে ডেভিড বেকহ্যামের পেনাল্টি থেকে করা গোলে ১–০ জিতেছিল ইংল্যান্ড। ১৯৯৮ সালে অ্যাওয়ে নীল জার্সি পরেই খেলেছিল আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচও জিতেছিল তারা। কিন্তু ২০০২ সালে আকাশি–সাদা জার্সি পরে খেলে হারতে হয়েছিল। তাই এ বার ১৯৮৬ সালের সেই অ্যাওয়ে জার্সি পরেই আবার নামতে চলেছে আর্জেন্টিনা। খেলা শুরুর আগে ইংল্যান্ডের উপর চাপ বাড়ানোর কাজ শুরু করেছে তারা। এ বারের বিশ্বকাপে এর আগেও একটি ম্যাচে অ্যাওয়ে জার্সি পরে খেলতে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। জর্ডনের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচে ৩–১ গোলে জিতেছিল তারা। বাকি পাঁচটি ম্যাচ অবশ্য আকাশি–সাদা জার্সি পরেই জিতেছে তারা। কিন্তু ইংল্যান্ড ম্যাচে মারাদোনার সেই স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে নামতে চলেছেন মেসিরা।











