দিল্লি বিমানবন্দরে আটকানোর পর প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের ঢাকা ফিরে আসার বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গতকাল মঙ্গলবার এক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে করা প্রশ্নে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, তিনি সার্ক ভিসায় ব্যক্তিগত পাসপোর্ট নিয়ে এখানে এসেছিলেন। ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কমিটির ২৮তম সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল তার। দিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্য পুনরায় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়, যেটা ছিল বহুপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করা। অবশ্য, তিনি স্বেচ্ছায় ঢাকায় ফিরে গিয়েছিলেন। খবর বিডিনিউজের।
দিল্লিতে ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) দুই দিনের বৈঠকে অংশ নিতে ১৪ জুন সন্ধ্যায় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সমপ্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা। ১৫ ও ১৬ জুনের ওই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল জাহেদ–উর রহমানের। কিন্তু বিমানবন্দরে তাকে আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখে ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তাকে দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়টিও তারা স্পষ্ট করছিল না। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটটিনের খবরে বলা হয়, জাহেদ–উর রহমানকে বেশ কিছু সময় বিমানবন্দরে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দিলেও উপদেষ্টা জাহেদ তাতে সম্মত হননি। পরে তিনি ‘অসৌজন্যমূলক আচরণ’ এবং দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার প্রতিবাদে সরকারি সফর বাতিল করে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। দিল্লি থেকে শ্রীলঙ্কার কলম্বো হয়ে পরদিন ঢাকায় ফিরে আসেন তিনি। ওই ঘটনার পরদিন ১৫ জুন ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার পবন বাধেকে তলব করে প্রতিবাদ জানিয়েছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান পুরো ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্িষত ও দুঃখজনক’ বলে বর্ণনা করেছেন।











