পটিয়া পৌরসভা একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও দুঃখজনকভাবে এখানকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দুর্বল ও অগোছালো। পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি ও জনচলাচলের স্থানে যত্রতত্র বাসাবাড়ির ময়লা–আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যায়, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। ময়লা ফেলার জন্য নির্ধারিত ভাগাড়ের সংখ্যা অপ্রতুল এবং আয়তনও খুবই ছোট। ফলে দ্রুত সেগুলো উপচে পড়ে আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং নোংরা পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এতে পথচারী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়ছেন।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো– পটিয়া পৌরসভার ময়লা–আবর্জনার বর্জ্যগুলো শ্রীমাই ব্রিজ এলাকায় চট্টগ্রাম–কক্সবাজার–আরাকান সড়কের পাশে খোলাভাবে বিশাল স্তুপ করে রাখা হয়, যা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এতে শুধু দুর্গন্ধ ও দূষণই নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়কের সৌন্দর্য, জনস্বাস্থ্য ও চলাচলকারী মানুষের স্বাভাবিক পরিবেশও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভার বর্জ্য এভাবে সড়কের পাশে খোলা স্থানে স্তুপ করে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
অতএব, পটিয়া পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি–যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধ, পর্যাপ্ত সংখ্যক বড় ভাগাড় স্থাপন, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ এবং এসব ময়লা–আবর্জনার বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য একটি স্থায়ী, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব সমাধান দ্রুত নিশ্চিত করা হোক।
জামাল রব্বানী
চেয়ারম্যান, আল মুজতবা ফাউন্ডেশন।
পটিয়া, চট্টগ্রাম।














