চাকরি নিয়ে রাশিয়ায় যাওয়া ৩০ বাংলাদেশিকে জোর করে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগ এসেছে, তাদের চারজনের মৃত্যুর তথ্য জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। গতকাল বৃহস্পতিবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে লালমনিরহাট–১ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাসান রাজীব প্রধানের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। খবর বিডিনিউজের।
মন্ত্রী বলেন, গত ২৪ এপ্রিল তিনটি রিক্রুটিং এজেন্সি জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো–বিএমইটির ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স নিয়ে ৩০ জন বাংলাদেশি কর্মীকে রাশিয়ায় পাঠায়। ওই তিন এজেন্সির আরএল নম্বর ১৪৫৫, ১৪২৮ ও ২৫০৫ বলে সংসদে জানান তিনি। আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর ওই কর্মীদের জোর করে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ক্যাম্প থেকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে– এমন তথ্য পাওয়ার পর সরকার ব্যবস্থা নেয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৫ জুন মস্কোতে বাংলাদেশ দূতাবাসকে বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশি কর্মীদের উদ্ধার করে দেশে ফেরানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠানো হয় বলে জানান তিনি।
প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ৩০ জনের মধ্যে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রাশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে বাকি কর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনার আশা করছে সরকার।
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে ইরান থেকে ১৮৬ জনকে ফেরত আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ জন নারী এবং ৮ জন শিশু। প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১২ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন।










