দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদীতে মা মাছ গত ২৭ মে দিবাগত রাতে ডিম ছেড়েছে। নদীর বিভিন্ন স্থানে ডিম ছাড়ে বলে ডিম সংগ্রহকারীরা জানিয়েছেন। তবে পরিমাণ খুবই কম। এর পরিমাণ ১শ–দেড়শ গ্রাম, সর্বোচ্চ আড়াইশ গ্রাম বলে তারা জানিয়েছেন। নদীতে নমুনা ডিম ছাড়ার পর ডিম সংগ্রহকারীরা পূর্ণিমার এই তিথি/জোতে ডিম ছাড়তে পারে বলে ধারণা করেছিলেন। তাই তারা নৌকা ও ডিম আহরণের সরঞ্জাম নিয়ে নদীতে অপেক্ষা করেছিলেন।
জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল সকালে মা মাছ নদীতে নমুনা ডিম ছাড়ে। দেড়টা–দুইটার দিকে পুনরায় ডিম ছাড়ে। নদীর অংকুরীঘোনা, গড়দুয়ারার নয়াহাট, সিপাহির ঘাট, পাতাইজ্জ্যার টেক, কাগতিয়ার টেক, সোনাইর মুখ, মাছুয়াঘোনা, আজিমারঘাট, নাপিতেরঘাট, আমতুয়া কুমারখালির টেক, মদুনাঘাট এলাকায় ডিম ছাড়ে। কালবৈশাখীর দমকা হাওয়া, বজ্রসহ বৃষ্টিপাত, নদীতে পাহাড়ি ঢলের প্রকোপ, অপেক্ষাকৃত শীতল পরিবেশ ডিম ছাড়ার উপযোগী।
হালদা রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক ড. মনজুরুল কিবরিয়া ২৭ মে দিবাগত রাতে ডিম ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।












