শ্বাসরোধে স্বামী ফারুক হোসেনকে খুন করা হয়। এরপর লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়। প্রায় ২০ বছর আগের এ ঘটনায় করা মামলায় স্ত্রী নার্গিস আক্তার সুমিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গতকাল চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদ এ রায় ঘোষণা করেন। এতে আবদুল কুদ্দুস নামের অপর একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কামরুন নাহার আজাদীকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেছেন। পলাতক থাকায় নার্গিস আক্তার সুমির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ারা জারি করা হয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, পারিবারিকভাবেই ফারুক হোসেনের সাথে নার্গিস আক্তার সুমির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই অশালীনভাবে চলাফেরা করায় শ্বশুর তাকে ভালোমতো চলাফেরা করতে উপদেশ দেন। এর জেরে নার্গিস আক্তার সুমি আরো বেশি অশালীনভাবে চলাফেরা শুরু করে এবং শাশুড়ির সাথে ঝগড়া বাধায়। একপর্যায়ে নগরীর উত্তর হালিশহরের সবুজবাগ এলাকায় আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাসও শুরু করে। সেখানেই ২০০৩ সালের ১৭ জুন স্বামী ফারুক হোসেনকে খুন করে তার লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়। এ ঘটনায় ফারুক হোসেনের বাবা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
আদালত সূত্র আরো জানায়, ফারুক হোসেন হত্যা মামলায় একই বছরের ৩০ নভেম্বর চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। এর পরের বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি চার্জগঠন করে বিচার শুরু করেন বিচারক।














