মাত্র দুদিন পরই অর্থাৎ আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছেন প্রার্থীরা। গতকাল রোববারও প্রচারণা চালিয়েছেন নির্বাচনমুখী সমন্বয় পরিষদ, ঐক্য পরিষদ, এমনকি একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী কিশোর কুমার দাস। শেষ সময়ের প্রচারণা হওয়ায় সকল প্রার্থী ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রার্থীরা প্রায় সকলেই বলছেন
তারা জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।
সেক্রেটারি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী কিশোর কুমার দাস আজাদীকে বলেন, প্রতিদিন ভোটারদের কাছে যাচ্ছি। পূবের্র মতো সুখে-দুঃখে থাকব সেটাই বলছি। ভোটাররাও পজিটিভ আছেন। আশা করছি, ভালো কিছু হবে।
সেক্রেটারি পদে ঐক্য পরিষদের প্রার্থী আব্দুস সাত্তার সরওয়ার। তিনি বলেন, আমরা সব সময় আইনজীবীদের সাথে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের দায়িত্ব কী তা আমরা বুঝি ও জানি। পূর্বে আমাদের নেতৃবৃন্দ আইনজীবীদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। আমরা সে ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে প্রস্তুত আছি।
সেক্রেটারি পদে সমন্বয় পরিষদের প্রার্থী বর্তমান সেক্রেটারি এএইচএম জিয়াউদ্দিন। তিনি তৃতীয় বারের মতো একই পদে নির্বাচন করছেন। তিনি বলেন, আমার প্রতি আইনজীবীদের আস্তা রয়েছে। গত দুবার তারা আমার উপর ভরসা রেখেছেন। এবারও নিশ্চয়ই তারা সে আস্তা রাখবেন। দলমত নির্বিশেষে পাশে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। কোনো পক্ষ আমাদের ঠেকাতে পারবে না। আমরা মান মর্যাদা অটুক রেখে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাব।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার রেজাউল করিম চৌধুরী আজাদীকে বলেন, ইতিমধ্যে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়ে গেছে। প্রার্থীরা ৯ তারিখ পর্যন্ত ভোটারদের কাছে যাবেন। সুন্দর একটা নির্বাচন হবে। তিনি আরো বলেন, ১৯টি পদে নির্বাচন হবে। একজন স্বতন্ত্রসহ প্রার্থী সংখ্যা ৩৯ জন। এ ৩৯ জনই মনোনয়নপত্র নিয়ে জমা দিয়েছিলেন এবং তাদেরকেই চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তাদেরকে ভোট প্রদান করবেন সাড়ে ৫ হাজার আইনজীবী।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, চূড়ান্ত ৩৯ প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জন আওয়ামীপন্থী সমন্বয় পরিষদের। ১৯ জন বিএনপিপন্থী ঐক্য পরিষদের। একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী কিশোর কুমার দাশ। তিনি সেক্রেটারি পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বৈধতা পেয়েছেন।













