সমপ্রতি একটি বেসরকারি সংগঠনের গবেষণায় বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার যে তথ্য এসেছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার কথা বলেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই করে প্রয়োজনে বিএসটিআই ব্যবস্থা নেবে বলে গতকাল মঙ্গলবার সংস্থার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) রোববার তাদের এক গবেষণার তথ্য প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়েছে যে দেশে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। আর শিশুদের জন্য বিক্রি হওয়া ছয়টি টুথপেস্টের মধ্যে চারটিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। গতকাল মঙ্গলবার এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বিএসটিআই কর্তৃপক্ষকে এই কমিটি গঠন করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। বিএসটিআই বলেছে, ইতোমধ্যে বিশেষজ্ঞ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, পরিবেশ অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, দন্ত চিকিৎসক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং ভোক্তা প্রতিনিধিদের নিয়ে টুথপেস্টের বাংলাদেশ মান পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে তারা।
প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া গেলে টুথপেস্টে ইচ্ছাকৃতভাবে প্লাস্টিক মাইক্রোবিড ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, উপাদান প্রকাশের বাধ্যবাধকতা এবং পরীক্ষাপদ্ধতি সংযোজনসহ বাংলাদেশ মান হালনাগাদ করা হবে। গুজব বা আতঙ্কে বিভ্রান্ত না হয় নিয়মিত মুখের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বিএসটিআই বলেছে, টুথপেস্ট গিলে ফেলবেন না এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর আস্থা রাখুন।











