মন্ত্রী অথবা প্রতিমন্ত্রীর স্ট্যাটাস চেয়েছেন মেয়র শাহাদাত

আজাদী প্রতিবেদন | বৃহস্পতিবার , ২০ মার্চ, ২০২৫ at ৬:৪১ পূর্বাহ্ণ

মন্ত্রী অথবা প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা চেয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। উন্নয়ন কাজে সেবা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করতে এ স্ট্যাটাস চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এসময় সমন্বয় নিশ্চিতে শুরু থেকে নগর সরকার প্রতিষ্ঠায়ও সোচ্চার ছিলেন বলে জানান তিনি।

গতকাল বুধবার দুপুরে টাইগারপাস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জলাবদ্ধতা নিরসন বিষয়ক সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ডা. শাহাদাত বলেন, প্রথম দিন থেকেই আমি নগর সরকারের বিষয়ে সোচ্চার ছিলাম। এটার জন্য আমি মিনিস্ট্রি লেভেলেও গিয়েছি, তখনও আমি শপথ নিইনি। তখন প্রায়ই ২০ দিনের মতো আমি ঢাকা ছিলাম। মিনিস্ট্রিতে আমি কথাবার্তা বলেছি। এমনকি আমি প্রধান উপদেষ্টার অফিসেও গিয়েছিলাম। কিন্তু ওইদিন তার সঙ্গে আমার দেখা হয়নি। যারা প্রধান সচিব আছেন, তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। মুখ্য সচিবের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা বলেছেন, সব হবে। এটা একটু সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।

মেয়র বলেন, তোফায়েল আহমেদ সাহেবকে (স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান) সংস্কার করার জন্য যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেখানে নগর সরকারের সুপারিশের বিষয়টি আছে। সুপারিশের পর হয়তোবা এটা কিছু হতে পারে। এর মধ্যে আমি করেছি কি, যেহেতু এটা হচ্ছে না, আমি আমার মন্ত্রী অথবা প্রতিমন্ত্রীর স্ট্যাটাসটা চেয়েছিলাম, যেন আমাকে মন্ত্রীর স্ট্যাটাসটি দেন, অথবা প্রতিমন্ত্রীর– যেটা আগে ছিল। তাহলে আমি সেবাপ্রদানকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করতে পারব।

ডা. শাহাদাত বলেন, আল্টিমেটলি আমাকে যদি স্ট্যাটাস না দেওয়া হয়, তাহলে আমি যদি কোনো আদেশ করি সেটা তারা নাও শুনতে পারে। ওই সেন্স থেকে আমি সেটা বলেছি। এখন পর্যন্ত সেটা আমাকে দেওয়া হয়নি। তারপরও আমি কৃতজ্ঞ আমার ডাকে সবাই সাড়া দিয়েছে। তারা সাড়া না দিলেও পারত। কিন্তু চট্টগ্রামের স্বার্থে বন্দর কর্তৃপক্ষ, সিডিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ওয়াসাসহ সমস্ত সেবাপ্রদানকারী সংস্থা আমার ডাকে সাড়া দিয়েছে।

উল্লেখ্য, চসিকের সর্বশেষ মেয়র হিসেবে রেজাউল করিম চৌধুরী প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পান। এছাড়া মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী (১৯৮৯), মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন (১৯৯১–১৯৯৩) ও প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী (১৯৯৪–২০১০) মেয়র থাকাকালে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পান। তবে মোহাম্মদ মনজুর আলম (২০১০–২০১৫) ও আ জ ম নাছির উদ্দীন (২০১৫–২০২০) মেয়রের দায়িত্ব পালনকালে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পাননি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধখাগড়াছড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ইউপিডিএফ সদস্য নিহত, আহত ছোট বোন
পরবর্তী নিবন্ধনগরে যানবাহনের ৩৪ শতাংশই মানছে না নির্ধারিত গতিসীমা