নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের একটি সেতুর জরুরি সংস্কারের কারণে দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে যাত্রীদের। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া সে যানজট শনিবার সকাল ১০টার পর থেকে কমতে শুরু করে বলে জানিয়েছেন কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি শফিউল আলম।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, সোনারগাঁয়ের আষাঢ়িয়ার চর এলাকায় একটি সেতুর ঢাকামুখী লেনে তৈরি হওয়া গর্ত জরুরি ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে সংস্কার করা হয়। এ কারণে মহাসড়কের ওই অংশ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত অন্তত ৪০ কিলোমিটার যানজট দেখা দেয়। খবর বিডিনিউজের।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আলরাজী রিয়ন বলেন, গত কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে ঢাকামুখী লেনের আষাঢ়িয়ার চর সেতুতে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। যান চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় শুক্রবার তা জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করা হয়। প্রায় ৫ মিটারের ওই গর্তটি মাইক্রো কংক্রিট দিয়ে ঢালাই করা হয়। ঢালাই শক্ত হয়ে যান চলাচলের উপযোগী হতে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন ছিল। এ কারণে শুক্রবার ভোর থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত একটি লেন বন্ধ রেখে অপর লেন দিয়ে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে ওসি শফিউল আলম বলেন, শনিবার সকাল ৯টার দিকে সংস্কার করা লেনটি খুলে দেওয়া হয়। পরে হাইওয়ে পুলিশের ঘণ্টা দেড়েকের চেষ্টায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
যানজটে রোগীর মৃত্যুর খবর : ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানজটে প্রায় চার ঘণ্টা আটকে থাকার পর এক নারী অ্যাম্বুলেন্সেই মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ঢাকায় নেওয়ার পথে শনিবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া আমিরুন্নেছা লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার প্রাণভগবতীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
তার স্বজন তারেক আল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, শুক্রবার হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর রাত ৮টার দিকে আমিরুন্নেছাকে নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তারা। কিন্তু রাত ১১টার দিকে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দিতে পৌঁছানোর পর তীব্র যানজটে আটকা পড়ে অ্যাম্বুলেন্সটি। এরপর দীর্ঘ চার ঘণ্টা প্রায় স্থবির হয়ে থাকে গাড়ি। শেষ পর্যন্ত ভোর সাড়ে রাত ৩টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যান তিনি।










