সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান সহ দু’জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে চট্টগ্রামে মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত।
আজ বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে আবেদনটি খারিজ করে দেন চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এসকে এম তোফায়েল হাসান।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাতনি সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে গত রবিবার মামলা নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম চট্টগ্রাম ইউনিটের সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এস এম বদরুল আনোয়ার।
আজ বুধবার মামলাটির আবেদনের ওপর আদেশের তারিখ ছিল।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার (১২ ডিসেম্বর) অ্যাডভোকেট এএসএম বদরুল আনোয়ার বাদী হয়ে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান ও টক শো’র উপস্থাপক মহিউদ্দিন হেলালের নামে মামলার আবেদন করেন।
বাদী উল্লেখ করেন, সম্প্রতি এক ফেসবুক পেজের লাইভে এসে খালেদা জিয়ার নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল মন্তব্য করেন ডা. মুরাদ হাসান ও উপস্থাপক মহিউদ্দিন হেলাল।
অনুষ্ঠানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রচার করা হয়। জিয়া পরিবার ও নাতনি জাইমা রহমানকে অপমান-অপদস্থ ও হেয়প্রতিপন্ন করতেই ভিডিওটি ছড়িয়ে দেয়া হয়।
মামলার বাদী অ্যাডভোকেট এ এস এম বদরুল আনোয়ার বলেন, সংক্ষিপ্ত আদেশে মামলার আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ আদেশ দেয়া হবে আদালত যখন খুলবে। আপিলের বিষয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত হবে। আমাকে মামলার সার্টিফাইড কপি তুলে ঢাকায় পাঠিয়ে দিতে বলা হয়েছে। তারা কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক ফেসবুক পেজের লাইভে এসে খালেদা জিয়ার নাতনিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল মন্তব্য করেন ডা. মুরাদ হাসান। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যেই চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে দুই বছর আগের একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করেন তিনি। এরপর জামালপুরের ওই সংসদ সদস্যকে আওয়ামী লীগের স্থানীয় কমিটি থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়।













