দেয়ালের খোপে চড়ুইয়ের কিচ্ কিচ্ কিচির মিচির শব্দ
নীল কবুতর উড়ে আসে বারান্দায়–জানালার পর্দার
পেছনে হাঁটে কয়েক পা– আমাকে জাগিয়ে তোলে
মায়ের সেবা পরিচর্যা; আপন মানুষের মমত্ব ভালোবাসার
সন্নিবেশ –শুভার্থী স্বজনের উৎকণ্ঠা প্রতিনিয়ত পাশে থাকা
ডাক্তার নার্সদের ভূমিকা অনিঃশেষ মানবতা।
ডেঙ্গু করোনা অতিমারীতে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ পেরিয়ে
আমি দেখছি রাঙ্গুনিয়ার গুমাইবিল, কাপ্তাই লেক,
শ্রীমঙ্গলের হাকালুকি হাওড়, মিরপুর চিড়িয়াখানা হ্রদ;
অরক্ষিত পরিযায়ী অতিথি পাখির কোথায় অভয়ারণ্য!
ঝাঁকবাঁধা উড়াউড়ি মধুর ডাকাডাকি
নিবিড় অরণ্যের মায়াময় কানাকানি।
জীবন–মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ পেরিয়ে আমি আবার দেখছি
শ্রমজীবী মানুষের শ্রমে ঘামে গড়ে ওঠা বহুতল বাসভবন,
কাছাকাছি বস্তিবাসীর জীবন। টাইগার পাসেও বনের মতো
ছায়াঘন পাহাড়ি ছোট বড় বৃক্ষ। প্রিয় এই শহরে তখনই শুনি
কোকিলের কু–উ ডাক; খুব ভোরে অথবা বিকেলে
প্রেম–বিরহের নির্জলা আবহের এমন আলোছায়ায় কবিতাপ্রেমীর
মতো আমার কাটে নাকো, কাটে না মুগ্ধতার রেশ।










