দেশীয় উদ্যোক্তারা এখন থেকে তাদের পণ্য অনলাইনে বিদেশি ক্রেতাদের কাছেও খুচরা বিক্রি করতে পারবেন। স্বল্প পর্যয়ে রপ্তানির সুযোগ রেখে গতকাল সোমবার একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যেখানে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৫ হাজার ডলার। আর এক হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানির বেলায় ইএক্সপি সার্টিফিকেটের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
এর ফলে দেশীয় উদ্যোক্তারা অ্যামাজন, আলি এক্সপ্রেস, ই–বে, তেমু, ফ্লিপকার্ট এর মত বৈশ্বিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে পণ্য তালিকাভুক্ত করতে পারবেন। ঘরে বসেই এসব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজেদের পণ্য সরাসরি বিদেশি ক্রেতার কাছে বিক্রি করতে পারবেন। এসব রপ্তানি প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে বাণিজ্যিক ব্যাংকের অথোরাইজড ডিলারের (এডি) মাধ্যমে। পণ্য রপ্তানিতে আন্তর্জাতিক অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে প্রয়োজনীয় চুক্তি আছে কি না, এডি শাখা তা যাচাই করবে।
এভাবে ব্যবসা করার জন্য প্রতি বছর অনলাইন মাকের্ট প্লেসের সাবস্ক্রিপশন ফিও পরিশোধ করতে পারবেন উদ্যোক্তারা। সার্কুলারে বলা হয়েছে, রপ্তানিকারকের বিদেশি মুদ্রা হিসাবের (ইরআরকিউ) মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন হবে। কোনো সময় ক্রেতাকে মূল্য ফেরত দেওয়ার দরকার হলে এবং তখন ইরআরকিউ হিসাবে বিদেশি মুদ্রার ঘাটতি থাকলে স্থানীয় মুদ্রা হিসাব থেকে তা সমন্বয় করে দেবে এডি শাখা।











