প্যাডেল রিক্সায় উঠতে এখন বিব্রত বোধ করি। সিটে আরাম করে বসে থাকা – আর চালক কাঠ ফাটা রোদে ঘামে ভিজে আমাকে টেনে টেনে নিয়ে যাবেন, ঘাম মুছতে মুছতে ভাড়ার টাকা গুনবেন, কি অমানবিক ভেবে দেখেছেন? বিভিন্ন অনিয়ম নিষেধাজ্ঞার মাঝেও অটো রিক্সা চলছে। একটা বিষয় ভালো লাগে – এই চালকদের ঘাম ঝড়াতে হয় না, তবে তারা অনেক বেপরোয়া। মাঝে মাঝে দুর্ঘটনা ঘটায়, এই বাহনকে যদি আইন নিয়মের আওতায় আনা যায় – এটি হবে গণমানুষের বাহন। ১৫০/২০০ টাকার সিএনজি টেক্সি ভাড়ার দূরত্ব ৫০/৬০ টাকায় যাওয়া যায়। অটোরিকশাকে শুধু মাত্র নিবন্ধনের আওতায় এনে কিছু রাজস্ব আয়ের চিন্তা করলেই হবে না । প্রথমত এই অটোরিকশায় স্পীড কন্ট্রোলার লাগাতে হবে – যেন চালক কোন অবস্থাতেই ১৫/২০ কিলোমিটারের বেশি গতি বাড়াতে না পারে। চাকায় লোড ব্যালেন্স স্প্রিং লাগাতে হবে যেন গাড়ীর ঝাঁকুনি কম হয়। গাড়ীর চালকদের অবশ্যই প্রশিক্ষণ ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের আওতায় আনতে হবে। বিদ্যুৎ দিয়ে গাড়ির ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার পদ্ধতি নিয়মের আওতায় আনতে হবে, ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার নামে অনেক গ্যারেজ মালিক ড্রাইভারদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ কে ম্যানেজ করে। ব্যাটারি চার্জে ব্যয়িত বিদ্যুৎ –চালকের ঘাম বাঁচায়, নিম্নবিত্ত যাত্রীদের অর্থ সাশ্রয় করে ও সময় বাঁচায়, এই খাতের বিদ্যুতের দাম সর্বনিম্ন হওয়া উচিৎ। উচ্চবিত্তদের আরাম আয়েশে ব্যয়িত বিদ্যুৎ বিল র্স্বোচ্চ করা হোক। কোটিপতিদের বাসভবনে ৮/১০টা এসি! এসব বিলাসী খাতে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে –শ্রমিকদের ঘাম বাঁচানো খাতে বিদ্যুতের দাম কমতে হবে। অটোরিকশাকে আইন ও নিয়মের আওতায় আনা গেলে এটি হবে গণমানুষের বাহন।











