বিশ্বকাপে নিষ্প্রভ শুরুর পর ধীরে ধীরে চেনা ছন্দে ফিরছে স্পেন। নকআউট পর্বের শুরুতে অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। এই জয়ে বড় ভূমিকা রাখা লামিন ইয়ামাল বলেছেন, যেকোনো দলের জন্য প্রস্তুত তারা। শেষ বত্রিশে বৃহস্পতিবার অস্ট্রিয়াকে ৩–০ গোলে হারায় স্পেন। প্রথম মিনিট থেকে শেষ মিনিট পর্যন্ত টানা আক্রমণ করে যায় স্পেন। নকআউট পর্বে সতীর্থদের এভাবেই খেলে যাওয়ার তাগিদ দিলেন ইয়ামাল। ‘এখন হারলে বিদায় নেবেন। এখন সময় বিশ্রাম নেওয়ার ও পরের ম্যাচ নিয়ে ভাবার। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে, উন্নতি করে যেতে হবে। আমরা কোনো দলকে ভয় পাই না।’ আগামী সোমবার ডালাসে পর্তুগালের মুখোমুখি হবে স্পেন। নিজেদের ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের নাম জানতেন না ইয়ামাল। বলেছিলেন, কোনো দলের বিপক্ষে খেলতে আপত্তি নেই তাদের, তারা যেতে চান শেষ পর্যন্ত। ‘যদি পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচ হয় তো, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিপক্ষে খেলা হবে সম্মানের। বিশ্বকাপ জেতা হবে সবচেয়ে বড় অর্জন। বিশ্বকাপের চেয়ে ভালো কিছু নেই। ছোট থাকতে সবাই বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখে। আমাদের লক্ষ্য এগিয়ে যাওয়া এবং নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করা, আর সেটা হলো বিশ্বকাপ জেতা।’ ম্যাচে ১০টি সফল ড্রিবলিং আর অস্ট্রিয়ার ডি বঙে ১৪বার বল স্পর্শ করার পরও গোল পাননি লামিন ইয়ামাল। সেই আলোচনায় না গিয়ে স্প্যানিশ সেনসেশন বলেন, যতক্ষণ স্পেন জয় পাচ্ছে ততক্ষণ নিজে গোল না পেলেও আপত্তি নেই তার। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ৩–০ ব্যবধানের জয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ২০১০ আসরের পর নকআউট পর্বে দলের প্রথম জয়ে নজরকাড়া ফুটবলে ম্যাচ সেরা হয়েছেন ইয়ামাল। ম্যাচের শেষ দিকে ইয়ামালকে তুলে নেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সে সময় কিছুটা হতাশ দেখায় বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডকে। গোল না পাওয়ায় হয়তো মুখ ভার ছিল তার। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ইয়ামাল। সেই সময় উঠলো তার গোল না পাওয়ার প্রসঙ্গ। ‘হ্যাঁ, গোল পাইনি। তবে আমি খুব খুশি। আমাদের জয়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এই চিন্তা নিয়ে নেমেছিলাম যে, আমরা ডালাসে খেলতে চাই, শেষ ষোলোতে যেতে চাই। আমি নিজেকে নিয়ে চিন্তা করছি না, দলের জন্য খুশি।’ মাঠে স্পেনের প্রচুর ভক্ত ছিলেন। একটু পরপর ইয়ামালের নাম ধরে চিৎকার করছিলেন তারা। তাদের ভালোবাসায় মুগ্ধ ইয়ামাল। ‘তাদের ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এটা আমাকে খুব সাহায্য করেছে।’











