সাতকানিয়ায় নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর সাঙ্গু নদীতে ভাসমান অবস্থায় এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃদ্ধের নাম মুন্সি মিয়া (৭২)। গত বৃহস্পতিবার মুন্সি মিয়া দুপুর থেকে নিখোঁজ হন এবং গতকাল রবিবার বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে সাঙ্গু নদীর চরতি ইউনিয়নের দ্বীপ চরতি এলাকা থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। মুন্সি মিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের জনার কেঁওচিয়া বাঁচা বলির বাড়ি এলাকার মৃত বদিউর রহমানের ছেলে।
বৃদ্ধের ভাতিজা ডাক বিভাগের কর্মকর্তা মো. আবদুর রাজ্জাক জানান, আমার জেঠা মুন্সি মিয়াকে কোরবানির দিন যোহরের নামাজের পর থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য সব জায়জায় খোঁজাখুঁজি করে। কিন্তু কোথায় সন্ধান মিলেনি। গতকাল বিকালে সাঙ্গু নদীর চরতি ইউনিয়নের দ্বীপ চরতি এলাকায় ভাসমান লাশ পাওয়ার খবর পেয়ে আমার জেঠাতো ভাই সেখানে যায় এবং বাবার লাশ শনাক্ত করেন। তিনি আরো জানান, গত এক বছর ধরে আমার জেঠা মানসিকভাবে কিছুটা ভারসাম্যহীন ছিল। ইতিপূর্বে একাধিকবার নিখোঁজ হয়েছিল। ওই সময় নিখোঁজের কয়েকদিন পর পুনরায় বাড়িতে ফিরে এসেছিল। চরতি ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. মোস্তফা জানান, ইউনিয়নের দ্বীপ চরতি এলাকায় সাঙ্গু নদীতে লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে বিকাল সাড়ে পাঁচ টার দিকে সাতকানিয়া থানা পুলিশ সাঙ্গু নদীর দ্বীপ চরতি এলাকায় ভাসমান অবস্থায় বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করে। এদিকে, খবর পেয়ে বৃদ্ধের ছেলে ঘটনাস্থলে এসে বাবার লাশ শনাক্ত করেন। ইউপি সদস্য আরো জানান, লাশটি উজান থেকে ভেসে এসেছে। ভেসে আরো নিচের দিকে চলে গিয়েছিল। চরতির ব্রাক্ষ্মনডেঙ্গা বেলালের ঘাট এলাকায়ও লাশটি ভাসতে দেখা গিয়েছিল বলে শুনেছি। জোয়ারের সময় আবার দ্বীপ চরতি এলাকায় চলে আসে। সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত জানান, সাঙ্গু নদীতে ভাসমান অবস্থায় বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।














