আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নে সাঙ্গু নদীর অব্যাহত ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি, ঝুঁকিতে পড়েছে স্থানীয়দের বসতঘর ও বেড়িবাঁধ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিনের অবৈধ বালু উত্তোলনের পাশাপাশি সামপ্রতিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ভাঙন আরও বেড়েছে। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, হাইলধর ও বারখাইন ইউনিয়নে ১৯০ মিটার বেড়িবাঁধ বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, গত ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে সাঙ্গু নদীতে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। তাদের দাবি, এর ফলে নদীতীরের বেড়িবাঁধ দুর্বল হয়ে পড়েছে। বহুবার বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানানো হলেও তা কার্যকর হয়নি। সামপ্রতিক অতিবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ভাঙন আরও বেড়ে যাওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হাইলধর ইউনিয়নের দক্ষিণ হাইলধর, ইছাখালী ওয়ার্ডের পশ্চিমপাড়া রাস্তার মাথা থেকে ফকিরহাট রাস্তার মাথা পর্যন্ত নদীতীরের সুরক্ষাব্লক ধসে নদীতে পড়ছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে কয়েকশ একর ফসলি জমি ও একাধিক বসতঘর।
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুস ছবুর বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সামপ্রতিক বন্যা–পাহাড়ি ঢলে নদীভাঙন বেড়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে বেড়িবাঁধ, ফসলি জমি ও বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাউবো সূত্র জানায়, হাইলধর ও বারখাইন ইউনিয়নে পোল্ডার ৬৩/১বি–এর আওতায় ১৯০ মিটার বেড়িবাঁধ বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী বর্ণ হক বলেন, মঙ্গলবার সংস্থাটির একটি প্রতিনিধি দল হাইলধর ও বারখাইন ইউনিয়নের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছে। জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী তীর সংরক্ষণকাজ বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।












