উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা–পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। একটি লঘুচাপ তৈরি হয়েছে। লঘুচাপটি ঘণীভূত হয়ে মৌসুমী নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর ফলে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়ার পাশাপাশি দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সাপ্তাহিত পূর্বাভাসে জানানো হয়, আগামী ৪ থেকে ৯ জুলাই চট্টগ্রাম, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ফেনী খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও আমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সম্ভাব্য বন্যার কারণ হিসেবে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারতের ত্রিপুরা এবং মিয়ানমার সংলগ্ন অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় অধিক বৃষ্টিপাতসহ সামগ্রিকভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এর ফলে আগামী ৭ দিন চট্টগ্রাম বিভাগের সাঙ্গু, মাতামুহুরী, হালদা, মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া ও গোমতী নদীসমূহের পানি সমতল সময়বিশেষে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।
গতকাল বৃহস্পতিবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দৈনিক প্রতিবেদনে বলা হয়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী ও ফেনী নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে। মাতামুহুরী, মহুরী ও সেলোনিয়া নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। সাঙ্গু ও হালদা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীগুলোর পানি পরবর্তী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা–পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটির প্রভাবে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে উল্লেখ করে চট্টগ্রাম বন্দর, কঙবাজার বন্দর, মোংলা বন্দর ও পায়রা বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়।









