মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর আজ। গত বছরের ২১ জুলাই দুপুর ১টা ১৮ মিনিটের দিকে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে এই ভবনটির ঠিক সামনে প্রশিক্ষণ বিমান এফ–৭ বিজিআই আছড়ে পড়ে ভবনের ভেতরে ঢুকে পড়ে বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় ২৮ জন শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষিকা, তিনজন অভিভাবক এবং একজন পরিচালকসহ ৩৫ জন মারা যায়। এছাড়া ১৭২ জন অগ্নিদগ্ধ হয়েছিলেন। কিন্তু এখনো মুছে যায়নি উত্তরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সেই ভয়াবহ ও বিভীষিকাময় স্মৃতি। ঘটনার এক বছর পূর্ণ হলো কালো দিনটির কথা ভুলতে পারেননি স্বজনহারা পরিবার, অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ দেশের জনগণ। প্রিয়জন হারানোর গভীর বেদনা আজও তাড়া করে বেড়াচ্ছে নিহতদের স্বজনদের। ফুলের মতো শিশুদের মৃত্যু মেনে নিতে পারেনি কোনো পরিবার।
গতকাল সোমবার মাইলস্টোন স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘটনার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচির প্রথম দিনে স্কুলের ১৬টি শাখায় একযোগে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আনুষ্ঠানিকতা বা বাইরের অতিথিদের উপস্থিতি ছাড়াই সহপাঠীদের ভালোবাসা ও আবেগে দিনটি পালন করেন মাইলস্টোন স্কুলের শিক্ষক–শিক্ষার্থী।
মাইলস্টোন স্কুলের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর বলেন, দুর্ঘটনার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে নিহত ও আহতদের স্মরণে আমরা দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করছি। প্রথম দিনে স্কুলের ১৬টি শাখায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে আহত শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা করা হয়েছে। দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে আজ মঙ্গলবার দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাস ছাড়া মাইলস্টোনের অন্যান্য শাখায় সাধারণ কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়া দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে থাকছে দুটি প্রধান আয়োজন।












