ফিলিপিন্সে ফেরিতে আগুনে মৃত ৩৫

| রবিবার , ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ

ফিলিপিন্সে এমভি জুন অ্যাস্টার নামের ফেরিতে বুধবার যে অগ্নিকাণ্ড ঘটে, তাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, ফেরির ধ্বংসাবশেষ থেকে তারা আরও ৩০টি মরদেহ উদ্ধার করার পর মৃতের সংখ্যা বেড়েছে। ফেরিটিতে ১৩০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন। ম্যানিলা থেকে যাত্রা করে পর্যটনকেন্দ্র করোনে পৌঁছানোর আগ মুহূর্তে ফেরিটিতে আগুন লাগে। খবর বিডিনিউজের।

সেখান থেকে ৪৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অর্ধশতাধিক যাত্রী, তাদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, ফেরিটির ভেতরে আরও মরদেহ রয়েছে। বিষাক্ত ধোঁয়া ও দীর্ঘসময় ধরে থাকা তাপের কারণে শুক্রবারের আগে তারা ফেরিটিতে উঠতে পারেনি। এক সংবাদ সম্মেলনে কোস্ট গার্ডের মুখপাত্র কমোডর নোমি কায়াবায়াব বলেন, ২২ ঘণ্টার যাত্রায় থাকা ফেরিটির ঘুমানোর জায়গা থেকে বেশিরভাগ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কায়াবায়াব বলেন, প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী মরদেহগুলো যথাযথভাবে উদ্ধার ও শনাক্ত করার কাজ বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরিচালনা করছে। তিনি বলেন, মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর শোক আমরা অনুভব করছি।

এর আগে কোস্ট গার্ড জানিয়েছিল, বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে তারা জেনেছেন, ফেরিটির কার্গো হোল্ডে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। তারা আরও জানিয়েছেন, কয়েকজন যাত্রী লাইফ ভেস্ট পরা ছিলেন না। বেঁচে যাওয়া একজন বিবিসিকে বলেন, আগুন লাগার পর ফেরির ভেতর তিনি আতঙ্কিত মানুষের চিৎকার শুনেছিলেন। পালানোর চেষ্টা করার সময় আতঙ্কিত মানুষের পদদলিতও হন তিনি। ফেরিটিতে আগুন লাগার ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা তদন্ত করছে ফিলিপাইনের সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ। ২০০২ সালে নির্মিত ফেরিটির বৈধ নিরাপত্তা সনদ ছিল এবং মার্চে নিয়মিত পরিদর্শনেও উত্তীর্ণ হয়েছিল।

পূর্ববর্তী নিবন্ধভেনিসে প্রথমবার অংশ নিয়েই বাংলাদেশি সিনেমার পুরস্কার জয়