দেশের সড়ক, সেতু, ফ্লাইওভার, এক্সপ্রেসওয়ে ও টানেলসমূহে প্রচলিত পৃথক পৃথক ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) পদ্ধতির অবসান ঘটিয়ে একটি সমন্বিত ও আন্তঃসংযুক্ত টোল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটির প্রতিবেদনের ওপর অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা শেষে দ্রুত চূড়ান্ত সুপারিশমালা সরকারের কাছে পেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের সভাপতিত্বে সেতু বিভাগের সম্মেলন কক্ষে গতকাল অনুষ্ঠিত এক অংশীজন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খবর বিডিনিউজের।
সভায় জানানো হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন টোল প্লাজায় ব্যবহৃত আরএফআইডি ভিত্তিক ইটিসি সিস্টেমকে এপিআই–এর মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে। এর ফলে পদ্মা সেতু, যমুনা সেতু, ঢাকা–মাওয়া এঙপ্রেসওয়ে, যাত্রাবাড়ী–গুলিস্তান ফ্লাইওভার, কর্ণফুলী টানেলসহ বিভিন্ন স্থানে বিদ্যমান ভিন্ন ভিন্ন টোল ব্যবস্থার পরিবর্তে একক ও সমন্বিত নেটওয়ার্ক চালু করা সম্ভব হবে।
গ্রাহক হয়রানি কমাতে এবং সেবা সহজ করতে বিভিন্ন সংস্থার পৃথক আরএফআইডি ট্যাগ ব্যবহারের পরিবর্তে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সরবরাহকৃত একক আরএফআইডি ট্যাগ ব্যবহারের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সমন্বিত মোবাইল অ্যাপ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে নিবন্ধন, টোল পরিশোধ, ডিজিটাল পেমেন্ট, ট্রাফিক অ্যালার্টসহ প্রয়োজনীয় সব সেবা পাওয়া যাবে।
অংশীজন ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞগণ প্রস্তাবিত প্ল্যাটফর্মের প্রশংসা করে গ্রাহক নিবন্ধন ও টোল পরিশোধ প্রক্রিয়া আরও সহজ করা এবং সিস্টেম ও আর্থিক লেনদেনের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।











