অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে : সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

| শুক্রবার , ২৬ জুন, ২০২৬ at ৫:২৬ পূর্বাহ্ণ

দেশে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা এএমআর ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে মন্ত্রীর লিখিত বক্তব্যে এ তথ্য জানানো হয়। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। ফেনী২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন জানতে চেয়েছিলেন, দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু বেড়েছে কি না এবং তা সত্য হলে জীবাণু শনাক্তকরণ কিট তৈরির কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত ব্যবহার, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং মানব ও প্রাণী খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ফলে এ সমস্যা বাড়ছে। এর ফলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে এবং চিকিৎসা কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠছে। খবর বিডিনিউজের।

জীবাণু শনাক্তকরণ কিট তৈরির উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলেও মন্ত্রীর জবাবে দেশে কিট উৎপাদন বা তৈরির কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, সময়সীমা বা প্রকল্পের নাম উল্লেখ করা হয়নি। সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরকার জীবাণু শনাক্তকরণ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নির্ণয়ের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

এর মধ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বা ন্যাশনাল অ্যাকশন প্লান অন এএমআর বাস্তবায়ন এবং ওয়ান হেলথ পদ্ধতির মাধ্যমে মানব, প্রাণী ও পরিবেশ খাতে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলেন তিনি। জাতীয় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সারভেইল্যান্স বা নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণের কথাও মন্ত্রীর জবাবে এসেছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপৃথক টোল পদ্ধতির অবসান, আসছে সমন্বিত ইটিসি নেটওয়ার্ক
পরবর্তী নিবন্ধস্তন ক্যানসারের এমআরএনএ টিকা তৈরির চেষ্টায় ইরানি গবেষকরা