সেদিন দেখলাম, যশোর মহাসড়কের পাশে সুরম্য
এক ত্রিতল ভবনের ব্যালকনির ঝুলন্ত ফুলদানিতে,
একজোড়া বুলবুলি বাসা বাঁধলো কী সুনিপুণভাবে।
হঠাৎ দৃশ্যমান, ওখানে তিনটি ডিম পেড়েছে নারী বুলবুলি।
তারপর ডিমে তা তা,
কয়েকদিন পর সুপ্রভাতে দেখা গেলো তিনটি ছানা
বুকে জড়িয়ে আছে মা বুলবুলি।
ব্যালকনিতে আনন্দের ঢেউ খেলে…
মধ্যদুপুরে কোনো এক আগন্তুক ওদিকে,
কৌতূহলী হয়ে পায়চারি করতে গেলে,
ছানা বুলবুলির মা–বাবার কণ্ঠে পাখাজুড়ে কী ব্যাকুলতা উদ্বেগ উৎকণ্ঠা!
তারপর একদিন ভোরে দেখা গেলো,
নবপ্রজন্মের পাখা গজানোর পর কোথায় যেনো উড়াল দিলো ওরা,
আর ফিরে এলো না…
ব্যালকনিতে নেমে আসে শূন্যতার হাহাকার।
এই যে, যারা চলে গেলো তারা কি কখনো
ফিরে আসবে এই স্মৃতির লাবণ্য নীড়ে?
মনে মনে ভাবি, পৃথিবীতে মানুষ নয় শুধু পাখিরাও প্রয়োজনে ঘর বাঁধে,
প্রয়োজনে সব বন্ধন ছিন্ন করে চলে যায়,
উড়ে যায় জানা–অজানা পথে।







