‘ডিজিটাল যুগে বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার সংস্কার’ বিষয়ে সেমিনার

চবি আইন বিভাগ হিট প্রজেক্টের উদ্যোগ

| বৃহস্পতিবার , ২৫ জুন, ২০২৬ at ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের হিট প্রজেক্টের আওতাধীন ‘রিফর্মেশন অব দ্য ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেম ইন বাংলাদেশ : ইন কনটেক্স অব দ্য ডিজিটাল এইজ’ (ডিজিটাল যুগে বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার সংস্কার) শীর্ষক ইনসেপশন সেমিনার গত ২৩ জুন নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপউপাচার্য (একাডেমিক) ও রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলআমীন।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপউপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মো. আবদুল হালিম, আইন বিভাগের প্রফেসর ও আইন অনুষদের প্রাক্তন ডিন প্রফেসর মোর্শেদ মাহমুদ খান, ডিস্ট্রিক্ট পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আশরাফ হোসাইন চৌধুরী, চট্টগ্রামের মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) এ এম জুলফিকার হায়াত, চট্টগ্রামের সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আবু হান্নান, ইয়াং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশনের (ইপসা) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড. মোহাম্মদ আরিফুর রহমান এবং আইন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. রকিবা নবী। অনুষ্ঠান পরিচালনা এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হিট প্রজেক্টের এসপিএম প্রফেসর এবিএম আবু নোমান।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলআমীন বলেন, ডিজিটাল যুগে পরিবর্তনটি কেবল একটি সাধারণ রূপান্তর বা ‘শিফট’ নয়, বরং এটি একটি ‘প্যারাডাইম শিফট’। আমার দীর্ঘ গবেষণার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ২০০৩ সালে বন আইনের ওপর কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঠিক নির্দেশনার অভাবে প্রায় ৬৫% বন অপরাধের মামলা শুরুতেই খারিজ হয়ে যেত। এই সমস্যা সমাধানে আমি নিজস্ব প্রোগ্রামিং জ্ঞান ব্যবহার করে সিএমআইএস (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম) তৈরি করি, যা মামলার তথ্য সরাসরি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর ব্যবস্থা ছিল।

প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থাকে আধুনিক ও ডিজিটালাইজ করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে এই রিসার্চ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একইসাথে বিচার ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের প্রবেশগম্যতা বৃদ্ধিতে এটি একটি দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। আমি আশা করি এই গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞানের সৃষ্টি হবে, যা আমাদের বিচার ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং পলিসি মেকিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

নুষ্ঠানে বিভিন্ন কোর্টের বিচারকবৃন্দ, আইনজীবীগণ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধকাগতিয়ায় ৮ পাড়ার সম্মিলিত সমাজ কল্যাণ পরিষদের মতবিনিময়
পরবর্তী নিবন্ধআইআইইউসিতে ফটোগ্রাফি কর্মশালার সনদ বিতরণ