চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন গতকাল কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিল পরিদর্শন করেছেন। বিভাগীয় কমিশনার কেপিএম কারখানার কাগজ উৎপাদন প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন। কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ্ বিভাগীয় কমিশনারকে কেপিএমের সার্বিক অবস্থা অবহিত করেন।
এক লক্ষ মেট্রিক টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন নতুন একটি কারখানা কেপিএমে বসানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে এ সময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রায়হানুল ইসলাম, কেপিএমের জিএম (উৎপাদন) মোঃ মইদুল ইসলাম, জিএম (প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ দিলদার হোসেন এবং কেপিএম সিবিএ সভাপতি আবদুল রাজ্জাক।
এর আগে অতিথি ভবনে কেপিএমের উৎপাদন প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বিভাগীয় কমিশনারকে অবহিত করেন কেপিএমের টেকনিকেল বিভাগীয় প্রধান রুপম বড়ুয়া। এসময় কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ্ বলেন, বাংলাদেশে কেপিএমের কাগজের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনসহ দেশের সকল আঞ্চলিক নির্বাচনে ব্যালট পেপার ছাপানোর জন্য কেপিএমের কাগজ ব্যবহার করা হয়। জাতীয় পাঠ্য পুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক প্রতি বছর দেশের কোটি কোটি শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে যে বই সরবরাহ করা হয় সেটিও কেপিএমের কাগজে ছাপানো হয় বলে মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ্ জানান। বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন বলেন, ছোট বেলায় আমরাও কেপিএমের কাগজে লেখাপড়া করেছি। বাংলাদেশে এখনো কেপিএম উৎপাদিত কাগজ সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে রয়েছে। কেপিএম যাতে পূর্ণদ্যমে সচল থাকতে পারে সেজন্য চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের পক্ষ থেকে তিনিও প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখবেন বলে জানান।









