দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সমপ্রতি উত্থাপিত যৌন হয়রানি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রতিশোধমূলক আচরণের অভিযোগে গভীর উদ্বেগ উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষ স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন ু বিএইচআরএফ। তারা এ বিষয়ে অবিলম্বে স্বতন্ত্র, প্রভাবমুক্ত, সময়বদ্ধ ও ভুক্তভোগী–সহায়ক তদন্ত গঠনের আহ্বান জানিয়েছে। জাতীয় ক্রিকেট দলের স্বনামধন্য মহিলা ক্রীড়াবিদের সাথে সংঘটিত যৌন হয়রানীর এমন অভিযোগ কেবল ব্যক্তিগত মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়; এটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা, পেশাদার নীতিচর্চা, দলীয় সংস্কৃতি ও জনআস্থার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। বিএইচআরএফ– এর পক্ষ থেকে সংগঠনের চেয়ারপারসন এডভোকেট এলিনা খান ও মহাসচিব এ এম জিয়া হাবীব আহ্সান বলেন, জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের মত পরিসরে যৌন হয়রানির মতো অভিযোগ আমাদের জন্য চরম লজ্জার। আমরা কঠোর ভাষায় নিন্দা জানাই এবং রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানাচ্ছি প্রভাবমুক্ত ও সময়বদ্ধ তদন্ত করে প্রমাণিতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করুন। নারী ক্রিকেটার জাহানারা আলমের উত্থাপিত যৌন হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ গভীর উদ্বেগজনক; জাতীয় দলের মতো রাষ্ট্রীয় মর্যাদার পরিসরে এমন ঘটনা পুরো ক্রীড়াঙ্গনের নিরাপত্তা, পেশাদার নীতি এবং জন আস্থা ক্ষুণ্ন করেছে। আমরা বিশেষভাবে লক্ষ্য করেছি অভিযোগ সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও বা তথ্যকে বিকৃতভাবে ব্যবহার করে ‘ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন’ করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে । যা যৌন হয়রানীর মতো আরেকটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যা সামাজিকভাবে হেনস্থা, অবমাননাকর ও আত্মহননে প্ররোচনার সামিল । এটি তথ্য–প্রযুক্তি সংক্রান্ত আইন ও মানহানিসহ একাধিক আইনের লঙ্ঘন হতে পারে; পাশাপাশি এটি ভুক্তভোগীর ওপর অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। আমাদের আহ্বান গণমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো যেন দায়িত্বশীল থেকে ‘ভিকটিম–ব্লেমিং’ পরিহার করে এবং যাচাইকৃত তথ্য ছাড়া কনটেন্ট প্রচার না করে। বিবৃতিদাতারা বলেন, এ ব্যাপারে স্বতন্ত্র বিচার বিভাগীয় বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের আহবান জানান।













