সুফিবাদী অনুসারীদের কাছে মাজার কোনো পূজার জায়গা নয়, বরং আল্লাহ তালায়ার ইবাদত, জিকির ও আধ্যাত্মিক সাধনার একটি কেন্দ্র। বাংলাদেশে অসংখ্য সুফি সাধকের আবির্ভাব হয়েছে। তাদের মধ্যে হযরত আলী রজা কানু শাহ (রা.) অন্যতম। যিনি দীর্ঘ সময় ধরে আল্লাহপাককে রাজি করার জন্য বহু পাহাড়, পর্বত, গুহায় সাধনা করেন। তাঁর এই কঠিন সাধনা আজ বিশ্বের মাঝে এক অনন্য রূপ হিসেবে পরিচিত। যাঁর বেলায়তের প্রভাবে অসংখ্য ধর্মহীন মানুষ, ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে এসে ধন্য হয়েছে। তিনি আরবি, ফার্সী,উর্দু, বাংলা সহ অসংখ্য ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। ইসলামের প্রচার ও প্রসারে তাঁর এই মহান অবদান অতুলনীয় এবং অনস্বীকার্য।
গত ৩ আগস্ট আনোয়ারা ওষখাইন আলি নগর দরবার শরীফে আঞ্জুমানে পাক পঞ্চতন হযরত শাহ আলী রজা (রা.) কমিটির ব্যবস্থাপনায় বড়মিঞা রশিদ মঞ্জিলে পাঁচ তরিকার পীর শাহসূফী হযরত আলী রজা কানু শাহ’র (রাঃ) ২৬৮ তম পবিত্র খোশরোজ শরীফে বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। ওষখাইন আলী নগর দরবার শরীফের বড় মিঞা রশিদ মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন মুহাম্মদ ইলিয়াছ রজার (মা.জি.আ.) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা ওষখাইন শাহ আলী রজা (রা.) আলিম মাদ্রাসার মহাপরিচালক শাহজাদা মাওলানা আব্দুর কাদের চাঁদ মিয়া (মা.জি.আ.), সহপরিচালক শাহজাদা মাওলানা মুহাম্মদ নেছার মিঞা (মা.জি.আ.)। এতে অসংখ্য আলেম, উলামা সহ ভক্ত ও মুরিদানগন উপস্থিত ছিলেন। পবিত্র খোশরোজ শরীফ শেষে র্যালি সহকারে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়। পরিশেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে মিলাদ কিয়াম, মোনাজাত ও তাবরুক বিতরণের মাধ্যমে উক্ত খোশরোজ শরীফের কর্মসূচী সম্পন্ন হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












