সৌদি আরবে ড্রাইভিং ভিসায় ও রেস্টুরেন্টে উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রবাসে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুরসহ বিভিন্ন এলাকার ৮টি পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। সাধনপুরের বৈলগাঁও এলাকায় ও বানীগ্রাম বাজারে উপস্থিত হয়ে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যরা। সাধনপুর এলাকার আজম খান ও তার ছেলে আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রবাসে নিয়ে নির্যাতনের এই অভিযোগ উঠেছে।
প্রতারণার শিকার ও প্রবাস ফেরত ভুক্তভোগীরা হলেন, সাধনপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পূর্ব বৈলগাও বনরুপা পাড়া এলাকার মৌলভী নরুদ্দাহারের ছেলে মো. রায়হান, পূর্ব বৈলগাও ২নং ওয়ার্ডের রুস্তুম আলীর ছেলে মো. ফোরকান, সাধনপুর রাতারকুল দক্ষিণ পাড়া ফয়েজ উদ্দীনের ছেলে বখতিয়ার, একই এলাকার মো. দেলোয়ারের ছেলে হুমায়ুন, ছৈয়দ হোসেনের ছেলে সিয়াম উদ্দিন, আনোয়ার উপজেলার বটতলী নুরপাড়া এলাকার মৃত নুরুন্নবীর ছেলে ইফতাহাদুল ইসলাম রাসেল, সাতকানিয়ার মো. তারেক ও রাউজানের মো. তাসবির। কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, অনেককে সৌদি আরবে নিয়ে গিয়ে কাজ ও বেতন না দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। আবার কাউকে কাউকে আটকে রেখে অর্থ আদায় করা হয়েছে। তাদের দাবি, এভাবে অসহায় মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় এই প্রতারক আবদুল জলিল। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আব্দুল জলিল। সৌদি আরব থেকে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদ্র বার্তায় বলেন, তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আপনি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেন।
সাধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কেএম সালাউদ্দিন কামাল জানান, ৮ জন ভুক্তভোগী ইউএনও বরাবর অভিযোগ করেছেন। ইউএনও বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। আমি ইতিমধ্যে ২টি পক্ষের সাথে বসেছি। ভুক্তভোগী সকলকে ২ লাখ টাকা করে প্রদান করে বলে অভিযুক্ত আব্দুল জলিল আমাকে বলেন। বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমীন বলেন, সৌদি আরবের ভিসা দিয়ে কয়েকজনকে প্রবাসে নিয়ে গিয়ে প্রতারণাসহ নির্যাতনের বিষয়ে লিখিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছি।











