২০ বছরের জমে থাকা ময়লা অবশেষে পরিষ্কার, স্বস্তি

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

শফিউল আজম, পটিয়া | শনিবার , ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৫:৩২ পূর্বাহ্ণ

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশাল ছাদ এবং সিঁড়িতে জমে ছিল দীর্ঘ ২০ বছরের নানা ময়লাআবর্জনা। এতে পুরো হাসপাতালের পরিবেশ হয়ে উঠেছিল নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন। এর ফলে হাসপাতালে মশা মাছির উৎপাত এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে আশপাশের পরিবেশ হয়ে উঠেছিল অনেকটা অস্বাস্থ্যকর। হাসপাতালে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে অবশেষে ২০ বছরের এ জঞ্জাল পরিষ্কার করা হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ফেরায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে রোগী ও স্বজনরা।

জানা যায়, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দীর্ঘ প্রায় ২০ বছরের জমে থাকা পুরনো বেডবিছানাসহ অন্যান্য জঞ্জাল ও ময়লাআবর্জনায় হাসপাতালটির পরিবেশ মারাত্মক খারাপ হয়ে উঠেছিল। দূষিত হয়ে উঠেছিল আশেপাশের পরিবেশ। ছড়াচ্ছিল দুর্গন্ধ এবং বাড়ছিল মশা মাছির উৎপাত। এই পরিবেশে রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে অস্বস্তিতে ভোগতেন। সম্প্রতি আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। হাসপাতাল পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন ও জঞ্জালমুক্ত করায় ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে এটা সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সেবা প্রার্থীরা।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা জানান, সরকারি হাসপাতাল হওয়ার কারণেই বোধয় হাসপাতালটি একটি অবর্জনার স্ত্থপে পরিণত হয়েছিল। যার কারণে এখানে মশা মাছির উৎপাত এবং এক ধরনের গুমোট পরিবেশ বিরাজ করছিল। দেরিতে হলেও হাসপাতালকে আবর্জনামুক্ত পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়ায় রোগীসহ হাসপাতালে আগতদের মধ্যে এখন এ নিয়ে স্বস্তি ফিরেছে। কর্তৃপক্ষের উচিত হাসপাতালটি সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। এতে হাসপাতালের পরিবেশ যেমন সুন্দর থাকবে, তেমনি স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রোগীরা স্বাস্থ্য সেবা নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব জানান, একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশই পারে সুস্থতার বার্তা দিতে। পটিয়াবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং স্বস্তির খবর যে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দীর্ঘ প্রায় ২০ বছরের জমে থাকা পুরনো বেডবিচানাসহ অন্যান্য ময়লাআবর্জনা সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হয়েছে।

জানা যায়, পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পূর্বের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবার পাশাপাশি এখন নিয়মিত এপেন্ডিসাইটিস, হারনিয়া ও সিজার অপারেশন করা হচ্ছে। এখানে এনেস্থেসিয়া ও সার্জারি বিভাগের ডাক্তাররা নিয়মিত এ অপারেশনগুলো করাচ্ছেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসামাজিক বন্ধন ও সম্প্রীতি গড়ে তুলতে হবে : আজাদী সম্পাদক