তিন দিন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন মো. ইয়াছিন ওরফে রনি (২৫)। ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে বেপরোয়া গতির একটি মাইক্রোবাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হওয়ার পর থেকে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে সীতাকুণ্ড উপজেলার জলিল গেট এলাকায় ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন রনি। এ সময় দ্রুতগতির একটি মাইক্রোবাস তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মহাসড়কে ছিটকে পড়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম নগরীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত রনি ভাটিয়ারী ইউনিয়নের তুলাতলি গ্রামের লাল মিয়া সারেং বাড়ির মৃত মো. ইসলামের ছেলে। পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি একটি শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে কাজ করতেন।
এ ঘটনায় বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল আমিন বলেন, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী মাইক্রোবাসটি এখনো শনাক্ত করা যায়নি। তবে সেটিকে শনাক্তে জোর চেষ্টা চলছে।
এর আগে শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে সীতাকুণ্ড পৌরসদরের উত্তর ইদিলপুর এলাকায় ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় মো. ইউসুফ ওরফে খোকন (৪৬) নিহত হন। কুমিরা হাইওয়ে থানার ইনচার্জ মোহাম্মদ নুরুল আফসার জানান, ঘাতক গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।












