চার দিনের পরিবহন ধর্মঘট তৈরি পোশাক খাতে বড় ধরনের সংকট তৈরি করেছে মন্তব্য করে বিকেএমইএর পরিচালক মীর্জা আকবর আলী চৌধুরী বলেছেন, আমরা অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়েছি। বহু কারখানা কাঁচামাল সংকটে পড়ে। আমাদের তৈরি পোশাক রেখেই বন্দর ছেড়েছে বেশ কয়েকটি জাহাজ। এসব পণ্য মাদার ভ্যাসেল মিস করলে আমাদেরকে কোটি কোটি টাকা বাড়তি ভাড়া দিয়ে এয়ারে পাঠাতে হবে। তিনি বলেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে বিদেশি ক্রেতারা আমাদেরকে জিম্মি করার সুযোগ নেয়। তারা পণ্য দেরিতে পৌঁছার অজুহাতে অর্ডার ক্যান্সেলের চেষ্টা করে, ডিসকাউন্টের বায়না ধরে। চট্টগ্রাম বন্দরে চার দিন পণ্য জাহাজিকরণ সম্ভব না হওয়ায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার কন্টেনার বিদেশে পাঠানো সম্ভব হয়নি। এসব কন্টেনারে এক হাজার কোটিরও বেশি টাকার পণ্য রয়েছে।
তিনি বলেন, রপ্তানি পণ্য বোঝাই কন্টেনার যেমন জাহাজে যেতে পারেনি, তেমনি জাহাজ থেকে কাঁচামাল বোঝাই কয়েক হাজার কন্টেনার বন্দর থেকে ছাড় করা সম্ভব হয়নি। এতে বিভিন্ন কারখানা কাঁচামাল সংকটে পড়েছে। শুধু বিদেশ থেকে নয়, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ এবং গাজীপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রচুর এঙেসরিজ আমাদের পরিবহন করে পোশাক তৈরি করতে হয়। অভ্যন্তরীণ পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে পড়ায় উৎপাদন প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
বন্দর ও কাস্টমসকে অত্যাবশ্যকীয় সেবা খাত ঘোষণা করে সব ধরনের হরতাল এবং ধর্মঘটের আওতামুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।













