পাঁচ করবর্ষের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দাবি করা ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা কর এড়াতে আদালতে মামলা করেও লাভ হল না গ্রামীণ কল্যাণের। এই সামাজিক ব্যবসা ও অলাভজনক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা দুটি রিট মামলায় হাই কোর্ট যে রুল দিয়েছিল, গতকাল বৃহস্পতিবার তা খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের বেঞ্চ। এই রায়ের ফলে ২০১২–১৩ থেকে ২০১৬–১৭ করবর্ষের জন্য ধার্য করা ওই রাজস্ব আদায়ে এনবিআর ডিমান্ড নোটিস জারি করতে পারবে বলে তথ্য দিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সামাদ আজাদ। খবর বিডিনিউজের।
১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ পরিবারের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ কল্যাণের সাবেক চেয়ারম্যান।
এর আগে মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ক্ষমতায় থাকাকালে তার পক্ষে গ্রামীণ কল্যাণের মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়েছে, এমন সংবাদ প্রায় সব গণমাধ্যমে প্রচার হয়। তবে গত ১৪ জুলাই কর মওকুফ এবং মামলা প্রত্যাহারের খবর ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলেছিলেন প্রতিষ্ঠানটির আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন।
বৃহস্পতিবার রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সামাদ আজাদ বলেন, দীর্ঘ শুনানির পর আজ এ মামলাটি হাই কোর্ট ডিভিশনের একটি দ্বৈত বেঞ্চে রায় প্রদান করেন এবং রুলটি ডিসচার্জ করা হয়। ফলে এই রায়টি ট্যাঙেস ডিপার্টমেন্টের পক্ষে তথা সরকারের পক্ষে আসে। কোর্ট কোনো ডিটেইলস রায় দেন নাই, ভারবালি শর্ট রায় দিয়েছেন। কোর্ট বলেছেন, রুল ডিসচার্জ। কোর্টের অবজারভেশন হচ্ছে, উনারা যে ৬৬৬ কোটি টাকা ট্যাঙ হবে না মর্মে দাবি করেছিল, তাদের এই দাবিটি রুল ডিসচার্জের মাধ্যমে খারিজ করে দেওয়া হয়।











