রাঙামাটিতে জেলা পর্যায়ের নৌযান–সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে ‘নৌযান শুমারি’ বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা হয়। রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙামাটির সিভিল সার্জন নূয়েন খীসা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোছাইন। সভায় মূল উপস্থাপনা করেন জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নুরুজ্জামান।
সভায় জানানো হয়, ২০২২ সালের শুমারিতে ৪২২টি ঘাটে ৪ হাজার ২৯৬টি নৌযানের তথ্য পাওয়া যায়। ২০২৬ সালের প্রাথমিক তথ্যে ৫৭০টি ঘাটে ৭ হাজার ৮৯৮টি এবং ঘাটের বাইরে আরও ১ হাজার ৮৫৯টি নৌযানের সন্ধান পাওয়া গেছে।
সভায় বক্তারা বলেন, নৌযানের সঠিক তথ্য না থাকায় দুর্ঘটনার পর মালিক বা চালককে খুঁজে পাওয়া এবং সরকারি সহায়তা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট ২০৮ জন গণনাকারীর মাধ্যমে জেলায় নতুন করে শুমারি পরিচালনা করা হবে। কোনো ইঞ্জিনচালিত নৌযান যেন শুমারি থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেন জেলা প্রশাসক। এছাড়া মালিকদের হয়রানি বন্ধে জেলায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) অফিস স্থাপনের বিষয়েও আশ্বাস দেন তিনি।












