যেসব সেবা ও পণ্যের দাম কমতে পারে

| শুক্রবার , ১২ জুন, ২০২৬ at ৫:২৭ পূর্বাহ্ণ

সরকারের কর ছাড়ের প্রস্তাবে শিশুখাদ্য, ওষুধ, সোনার গয়না, ল্যাপটপ ও কম্পিউটারসহ অনেক পণ্যের দাম কমতে পারে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গতকাল জাতীয় সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে কর ছাড়ের এই প্রস্তাব দিয়েছেন। খবর বাসসের।

কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম :

সোনার গয়না : সোনা সরবরাহে উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে। ভ্যাট ছিল আগে ৫ শতাংশ। ফলে আড়াই লাখ টাকার সোনায় ভ্যাট দাঁড়াত সাড়ে ১২ হাজার টাকা। এখন তা কমিয়ে ভরিপ্রতি আড়াই হাজার টাকা করা হয়েছে।

শিশুখাদ্য : আমদানি করা শিশুখাদ্য প্রস্তুতিমূলক সামগ্রীর ওপর আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে (শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে)। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এতে বাজারে শিশুখাদ্যের দাম কমবে।

মশলা : জিরা, দারুচিনি, এলাচি, লবঙ্গ, গোলমরিচ, ধনিয়া ইত্যাদি মসলায় ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

খেজুর : খেজুর আমদানিতে ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার পস্তাব করা হয়েছে। ফলে দাম কমতে পারে।

বৈদ্যুতিক গাড়ি : আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাক এবং ইলেকট্রিক চার্জিং স্টেশন আমদানির ক্ষেত্রে উৎসে কর হার ৫ শতাংশ হতে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করছি। নতুন প্লাগইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিকেলের ক্ষেত্রে করছাড় দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষে (বিআরটিএ) নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন ও নবায়নের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক গাড়ির অগ্রিম আয়করের পরিমাণ কমানো হয়েছে।

ল্যাপটপ ও কম্পিউটার : ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার ও কম্পিউটার মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে সমুদয় আমদানি শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সার : সারের ব্যবসায়ী পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে জিংক সালফেট সার উৎপাদনের কাঁচামাল জিংক অ্যাশ আমদানিতে শুল্ক শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে।

কীটনাশক : কীটনাশক উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতে ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং আমদানি করা কীটনাশকের ওপর ৭.৫ শতাংশ অগ্রিম কর মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমতে পারে।

শুল্ককর কমানো এবং শুল্কায়ন মূল্যে পরিবর্তনের কারণে বিদেশি মাংস, প্রাণিখাদ্য, পয়েন্ট অব সেলস বা পিওএস যন্ত্র, সৌর বিদ্যুতের সরঞ্জাম, লিপস্টিক, ফেসওয়াশসহ বিভিন্ন প্রসাধন এবং আরও নানা পণ্যের দাম কমতে পারে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়
পরবর্তী নিবন্ধযেসব পণ্য ও সেবার দাম বাড়তে পারে