চার বছর আগে লুসাইল স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসি যেদিন বিশ্বকাপ উঁচিয়ে ধরলেন, সেদিন দারুণ এক উপহার পেয়ে গিয়েছিলেন জুলিয়ানো সিওমেন। ১৮ ডিসেম্বর মেসির শিরোপা জয়ের দিনটি ছিল জুলিয়ানোর জন্মদিন। জন্মদিনের উপহার সেদিন ঘরে বসে পেয়েছিলেন জুলিয়ানো। ২৩ বছর বয়সী এই উইঙ্গার এবার নিজেই এসেছেন বিশ্বকাপে খেলতে এবং এখন মেসি তার সতীর্থ।
প্রতিদিন মেসিকে অনুশীলনে সেরা উপায়ে প্রস্তুত হতে সবটুকু নিংড়ে দিতে দেখা এবং অধিনায়ক হিসেবে তাকে পাওয়া জুলিয়ানোর কাছে এক অন্যরকম অনুভূতি। এই মহাতারকাকে নিয়ে বলতে গিয়ে তার কণ্ঠে ঝরল কেবলই প্রশংসা। জুলিয়ানো বলেন, মেসিই সবকিছু। তিনি ফুটবল ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়। অধিনায়ক এবং নেতা হিসেবে তাকে পাওয়াটা অনেক সুবিধার। তাকে প্রতিদিন অনুশীলন করতে দেখা এবং যেভাবে তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেন, তাতে এটা পরিষ্কার যে তিনি যা অর্জন করেছেন, তার কোনোটিই আকস্মিক নয়। ২০২২ সালে আমার জন্মদিনে তার বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরা দেখাটা একজন আর্জেন্টাইন হিসেবে ছিল বিরাট গর্বের বিষয়।
৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০২২ সালে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের নেপথ্যের কারিগর ছিলেন লিওনেল স্কালোনি। ৪৮ বছর বয়সী এই কোচকে ডাগআউটে নিয়েই যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো–কানাডার আসরে মুকুট ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে আলবেসিলেস্তারা। কোচ স্কালোনির প্রশংসাতেও পঞ্চমুখ হলেন জুলিয়ানো। তিনি বলেন, তিনি এমন একজন কোচ, যিনি প্রতিটি খেলোয়াড়ের প্রয়োজনটা বোঝেন।











