মেঘে ঢাকা তারা
পথের শেষটায় চতুষ্কোণী মোড়ে এসে দাঁড়িয়ে পথিক,
সব কাজ, বলা না বলা, চাওয়া পাওয়া শেষ কি তবে?
তাকালো চতুর্দিক!
কোন পথে যেতে হবে পায় না সঠিক নিশানা
এখনোতো আযান এর ধ্বনির রেশ ফুরায়না,
ভোরের আলো ফুটেনি, অন্ধকার পথটা ঠাহরে মেকি
নামাজ পড়া শেষে প্রার্থনা আরজি রয়ে গেল বাকী।
আকাশটা কালো মেঘের আচ্ছাদনে ঢাকা অব্যক্ত অভিন্নতায়,
কেন? কোন ত্রুটিতো ছিল না তো তার পথ চলায়
তবে কিসের শূন্যতা, পূর্ণতা তবে কোথায়?
থেমে গেল পথিক চৌরাস্তার গাছের তলায়।
আকাশ এর দিকে চেয়ে ভাবে কোথায় তবে শেষ
ডেসটিনি কি তবে উপরে, উপরওয়ালার কাছে?
চোখ বন্ধ করে অন্তর্দৃষ্টি মেলে ধরলো উর্ধ্বপানে
মেঘের ওপারে অগণিত তারারা ছুটিছে সমানে,
তাহলে কি আরও আরও অনেক অনেক তাড়া,
স্বপ্ন, আশা, ভালোবাসা বিরহ সব মেঘে ঢাকা তারা?
কখন মেঘ সরে যাবে, কখন আলোয় ভরবে পথ,
হঠাৎ পথ চলায় পথিক খুঁজে পায় নিজেকে,
তাকে চার পথের একটি পথে চলতে হবে,
কারণ সেতো মেঘে অগণন তারায় একটি জ্বলজ্বলে
মেঘে ঢাকা তারা,
মেঘ সরিয়ে সে ধ্রুবতারা, শুকতারা হয়ে জ্বলে উঠবেই,
তাই আবারও নুতন চলার তাড়া!
তাই উঠে দাঁড়িয়ে চলা শুরু করল অসমাপ্ত আক্ষেপে
প্রতিটি নুতন পদক্ষেপে।








