বহির্নোঙরে পণ্য খালাস বন্ধ

ভারী বর্ষণে উত্তাল সাগর । কন্টেনার হ্যান্ডলিং ও ডেলিভারি ব্যাহত

আজাদী প্রতিবেদন | বুধবার , ৮ জুলাই, ২০২৬ at ১০:২২ পূর্বাহ্ণ

ভারী বর্ষণের পাশাপাশি সাগর ভয়াবহ রকমের উত্তাল হয়ে উঠায় কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর। বন্দরের অভ্যন্তরে খোলা পণ্য হ্যান্ডলিং ব্যাহত হয়েছে। কাজের গতি কমেছে কন্টেনার হ্যান্ডলিং এবং ডেলিভারিতেও। ৪২ বছরের সবচেয়ে ভারী বর্ষণ এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, টানা বর্ষণের পাশাপাশি প্রচুর বাতাস ছিল গতকাল দিনভর। সাগর ভয়াবহ রকমের উত্তাল হয়ে উঠায় বন্দরের বহির্নোঙরে মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাস কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। লাইটারেজ জাহাজগুলো সাগরে যেতে পারছিল না। যেগুলো ইতোপূর্বে বহির্নোঙরে গেছে সেগুলোও জাহাজ থেকে দূরে সরে নিরাপদে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করেছে। সাগর উত্তাল হয়ে উঠলে লাইটারেজ জাহাজগুলো মাদার ভ্যাসেলের গায়ে লেগে থাকতে পারে না। প্রচন্ড ধাক্কায় জাহাজ ফেটে যাওয়ার আশংকা থাকে। এতে করে বন্দরে বহির্নোঙর এবং কুতুবদিয়া অবস্থানকারী বিদেশ থেকে পণ্য নিয়ে আসা মাদার ভ্যাসেলগুলোতে পণ্য খালাস পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এতে জাহাজের অবস্থানকাল বাড়ার পাশাপাশি বহির্নোঙরে জাহাজজট এবং আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ার শংকা তৈরি হয়েছে। এক একটি জাহাজ একদিন অলস বসে থাকলেও গড়ে ২০ হাজার ডলারের বেশি ফিঙড অপারেটিং কস্ট হিসেবে খরচ পড়ে। যার যোগান আমদানিকারকদের দিতে হলেও কার্যতঃ তা ভোক্তাকেই পরিশোধ করতে হয়।

অপরদিকে বহির্নোঙরের পাশাপাশি বন্দরের জেটিতে নোঙর করা খোলা পণ্যবাহী জাহাজগুলোতেও কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে মারাত্মকভাবে। কন্টেনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রমেও গতি কমেছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে ভারী বৃষ্টি এবং বাতাসের কারণে ইকুইপমেন্ট অপারেশনে জড়িতদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ৪২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভারী বর্ষণের প্রভাবে বন্দরকেন্দ্রিক কার্যক্রম বেশ ধাক্কা দিয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমদুনাঘাট ব্রিজের উভয় পাশে ধস
পরবর্তী নিবন্ধবাইশারীতে শিশুর মৃত্যু, থানচিতে শতাধিক পর্যটক উদ্ধার । বান্দরবান ও সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা, চন্দ্রঘোনা-রাইখালী ফেরি চলাচল বন্ধ সড়ক প্লাবিত হয়ে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন