নগরীতে গতকাল সকাল থেকে কখনো থেমে থেমে কখনো হালকা আবার কখনো মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টির কারণে কর্মজীবী নারী–পুরুষদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। সড়কে গণপরিবহনের সংখ্যা কমে যায়। বাড়তি ভাড়া গুণে অনেকই বাধ্য হয়ে সিএনজি ও রিকশাযোগে গন্তব্যস্থলে পৌঁছেন। নগরীর ২নং গেট এলাকায় কথা হয় বেসরকারি চাকরিজীবী ফরিদ উদ্দিনের সাথে। তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে অনেকক্ষণ সড়কে দাঁড়িয়ে থাকার পরেও গাড়ি পাচ্ছি না। পরে বাড়তি ভাড়া দিয়ে কর্মস্থলে যেতে হয়েছে। গতকাল বিকেল ৩ টা পর্যন্ত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৩৬ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। এদিকে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পূর্বাভাস বার্তায় বলা হয়েছে, আজ চট্টগ্রামের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণের কারণে মহানগরীর কোথাও কোথাও অস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে এবং চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমি ধসের আশংকা রয়েছে। এছাড়া অস্থায়ী দমকা হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ অধিকাংশ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের–বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। এছাড়া দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব দিক হতে এবং অস্থায়ীভাবে দক্ষিণ–পশ্চিম দিক হতে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার, যা অস্থায়ী দমকা হাওয়ার আকারে ৩৫ থেকে ৪৫ কিলোমিটার বা আরো অধিক বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।












