ফ্লাইওভারে ওঠার সুযোগ রয়েছে, কিন্তু সেই ওঠার পথই খুলে দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে প্রতিদিন জিইসি মোড় থেকে ওয়াসা মোড় পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে। লালখান বাজার–পতেঙ্গা পর্যন্ত নির্মিত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের জিইসি মোড় থেকে ওঠার র্যাম্পটি চালু করা সম্ভব না হওয়ায় মূল সড়কের ওপর যানবাহনের চাপ কমছে না। দিনের বড় একটি সময় জিইসি থেকে ওয়াসা মোড় পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জিইসি মোড়ের র্যাম্পটি চালু করার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) স্ট্রিট লাইটের কয়েকটি পোস্ট। এসব পোস্ট সরানো ছাড়া র্যাম্পটি চালু করতে চাচ্ছে না চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। র্যাম্পটি চালু হলে জিইসি মোড় থেকে পতেঙ্গামুখী যানবাহনের একটি বড় অংশ সরাসরি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উঠে যেতে পারবে। শুধু পতেঙ্গামুখী নয়, নিমতলায় নামার র্যাম্প চালু থাকায় বন্দর এবং আগ্রাবাদসহ সন্নিহিত এলাকার অসংখ্য গাড়ি মূল সড়ক থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠে যাবে। ফলে জিইসি–বন্দর এলাকার সড়কে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে বলেও সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন। চট্টগ্রাম নগরীর দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনের অন্যতম প্রধান অবকাঠামো হিসেবে লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এঙপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হলেও এর র্যাম্পগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু না হওয়ায় প্রত্যাশিত সুফল মিলছে না। প্রকল্পটির মূল উড়ালসড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬ কিলোমিটার। কিন্তু বিভিন্ন স্থানে ওঠানামার র্যাম্প চালু না থাকায় এটি এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হয়ে উঠতে পারেনি।
চসিকের স্ট্রিট লাইটের পোস্টগুলো র্যাম্পের পাশে রয়েছে। যানবাহন চলাচলের জন্য লাইটপোস্টগুলো ঝুঁকিপূর্ণ। তাই সিডিএ র্যাম্পটি চালু করছে না।
প্রকল্প পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান বলেছেন, লাইটপোস্টগুলো সরানো ছাড়া র্যাম্প চালু করা সম্ভব নয়। আমরা সিটি কর্পোরেশনকে পোস্টগুলো সরানোর অনুরোধ করেছি। আমরাই সব খরচ দেবো, কর্পোরেশন শুধু পোস্টগুলো সরিয়ে নেবে। যেদিন লাইটপোস্টগুলো সরানো হবে পরদিনই আমরা গাড়ি ওঠার ব্যবস্থা করে দেবো।











