কালুরঘাট ফেরি থেকে আগামী তিন বছর ইজারা আদায়ে নতুন করে আহ্বানকৃত দরপত্র গতকাল ওপেন করা হয়েছে। আগামী ৩ বছরের জন্য ফেরির ইজারা নিতে একাধিক প্রতিষ্ঠান দরপত্র দাখিল করেছে। গতকাল দরপত্র খোলার দিনে অনেকেই উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ফেরি পরিচালনা ও টোল আদায়ের জন্য দাখিলকৃত দরপত্রের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার দর দাখিল করেছে আমানত শাহ্ এন্টারপ্রাইজ। এরপর দ্বিতীয় দরদাতা হিসেবে ২ কোটি ৫০ লাখ দর দাখিল করেছে মাহফুজ এন্ড ব্রাদার্স।
এই ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহেদ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, কালুরঘাট ফেরির ইজারা আদায়ের দরপত্র খোলার দিন ছিল আজ (গতকাল)। এখনো সর্বোচ্চ দরদাতা নির্ধারণ হয়নি। এখানে টেন্ডার মূল্যায়ন কমিটি রয়েছে। কমিটি সবকিছু যাচাই–বাছাই করে সর্বোচ্চ দরদাতা নির্ধারণ করে ইজারা আদায়ের দায়িত্ব দেবেন।
সূত্র জানায়, এর আগে ২০২৩ সালে এই কালুরঘাট ফেরি সার্ভিস চালাতে ইজারাদার নির্বাচন করতে চট্টগ্রাম সড়ক বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে সাত দফা টেন্ডার আহ্বান করতে হয়েছিল।
সর্বশেষ ২ কোটি ১৪ লাখ টাকায় সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে ‘আমরিন অ্যান্ড ব্রাদার্স’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে তিন বছরের জন্য এই ফেরি সার্ভিস ইজারা দিতে সুপারিশ করেছিল দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি। পরবর্তীতে এই প্রতিষ্ঠান তিনবছর ফেরি সার্ভিস পরিচালনা করে আসছে।
আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর বর্তমানে ইজারা আদায়কারী প্রতিষ্ঠানের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কালুরঘাট ফেরির চলমান ইজারা প্রক্রিয়ার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর। টোল নীতিমালা অনুযায়ী চলমান ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার ন্যূনতম চার মাস পূর্বে নতুন ইজারাদার নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে। এই প্রেক্ষিতে আগামী তিন বছরের জন্য ফেরির টোল আদায়ের জন্য জন্য নতুন করে টেন্ডার আহ্বান করা হলে গতকাল টেন্ডার ওপেন করা হয়।












