বিশ্বকাপ পুনরুদ্ধারে ফ্রান্স আরও একটি বাধা পার করেছে প্রবল প্রতাপে। সুইডেনকে উড়িয়ে দিয়ে জায়গা করে নিয়েছে শেষ ষোলোয়। এই ম্যাচে অনেক অর্জন ধরা দিয়েছে ফ্রান্স, দিদিয়ে দেশোঁম, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও মাইকেল ওলিসেদের হাতে। ১.নিজেদের সবশেষ পাঁচ ম্যাচের প্রতিটিতে অন্তত তিন গোল করেছে ফ্রান্স। বিশ্বকাপের ইতিহাসে যা পারেনি আর কোনো দল। ২.এ নিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে চতুর্থবার কোনো ম্যাচে একাধিক গোল করলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে অন্য যে কোনো খেলোয়াড়ের তুলনায় যা দ্বিগুণ। এছাড়া বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে সপ্তমবার কোনো ম্যাচে একাধিক গোল করলেন তিনি। এটাও একটি বিশ্বকাপ রেকর্ড। ৩.কেবল দ্বিতীয়বারের মতো ফ্রান্স নিজেদের প্রথম চার ম্যাচে জয় পেল। প্রথমবার এই কীর্তি তারা গড়েছিল ১৯৯৮ সালে। দেশের মাটিতে সেবার বিশ্বকাপ জিতেছিল তারা। ৪. আসরে পাঁচটি অ্যাসিস্ট হলো মাইকেল ওলিসের। চলতি আসরে যা সর্বোচ্চ। বিশ্বকাপ ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট আছে কেবল একজন– পেলের। ১৯৭০ বিশ্বকাপে ৬ গোলে অবদান রাখেন ব্রাজিলের এই কিংবদন্তি। ৫. আসরে কিলিয়ান এমবাপের গোল হলো লিওনেল মেসির সমান– ছয়টি। দুটি অ্যাসিস্ট থাকায় গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে গেলেন ফ্রান্স অধিনায়ক। ৬. এমবাপে ও উসমান দেম্বেলে নিজেদের মধ্যে ছয়টি গোলে অবদান রেখেছেন (দেম্বেলের অ্যাসিস্ট চারটি, এমবাপের দুটি)। গত ৬০ বছরে যে কোনো দুই জন ফুটবলারের ক্ষেত্রে যা সর্বোচ্চ। ৭. বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় এককভাবে দুই নম্বরে উঠে এলেন এমবাপ্পে। মেসির সঙ্গে কমালেন ব্যবধান। ৭. ১৬ গোল নিয়ে তিনে নেমে গেলেন মিরোস্লাভ ক্লোসা। এমবাপ্পের গোল হলো ১৮টি। ১৯ গোল নিয়ে চূড়ায় মেসি। ৮. বিশ্বকাপে প্রথম দেশ হিসেবে ইউরোপীয় দেশগুলোর বিপক্ষে টানা সাত ম্যাচ জিতল ফ্রান্স। ৯. ফ্রান্সের কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ নকআউট পর্বে নবম জয় পেলেন দিদিয়ে দেশোঁম। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে যে কোনো কোচের জন্য যা সর্বোচ্চ। ১০. বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে ২২ গোলে জড়িয়ে আছেন এমবাপ্পে। ১৮ গোল করেছেন তিনি, অবদান রেখেছেন ৪ গোলে। এই ক্ষেত্রে পেলেকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। সামনে আছেন কেবল মেসি (২৭)। ১১. সুইডেনের বিপক্ষে ১২টি শট লক্ষ্যে রাখে ফ্রান্স। ১৯৬৬ সাল থেকে বিশ্বকাপে যা তাদের সর্বোচ্চ। গোলের জন্য ২৫ শট নেয় তারা। ১৯৯৮ সালে প্যারাগুয়ে (৩৭) ম্যাচের পর যা তাদের সর্বোচ্চ। ১২. ২০১৪ আসর থেকে বিশ্বকাপে ৫৩ গোল করেছে ফ্রান্স। যা অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে অন্তত ১৬টি বেশি। এই সময়ে ৩৭ গোল করেছে জার্মানি ও আর্জেন্টিনা। ৩৬ গোল করেছে ব্রাজিল ও নেদারল্যান্ডস।











