যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবি ও কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনে রদবদল শুরু হয়েছে। বিচার বিভাগের তিন শীর্ষ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনারও ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ পদেও পরিবর্তন এনেছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যানশে বৃহস্পতিবার নাগরিক অধিকারবিষয়ক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হারমিত ধিলোঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণের কথা জানান। এছাড়া শুক্রবার জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জন আইজেনবার্গ এবং ফ্লোরিডার সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের অ্যাটর্নি জেসন রেডিং কুইনোনসের পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। খবর বিডিনিউজের।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলোর খবর অনুযায়ী, ধিলোঁ অক্টোবরে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। তবে নির্বাচনের আগপর্যন্ত দায়িত্বে থাকতে সম্মত হয়েছিলেন। নির্বাচনের আগে প্রায় ৩০টি অঙ্গরাজ্যের ভোটার নিবন্ধন তালিকা সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে কুইনোনস ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাবেক কয়েকজন গোয়েন্দা কর্মকর্তার তদন্ত তদারকি করছিলেন।
এদিকে সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, মন্ত্রিসভায় কিছু পরিবর্তন আনবেন তিনি। কাউকে বরখাস্ত করবেন কিনা–এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, হ্যাঁ, কিছু ক্ষেত্রে তা করব। তবে কারা পরিবর্তনের মুখে পড়তে পারেন, তা জানাননি তিনি। হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলসকে সরিয়ে স্টিফেন মিলারকে ওই পদে আনার ঘোষণাও দিয়েছেন ট্রাম্প। ওয়াইলস প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক কার্যক্রমে যুক্ত হবেন। ট্রাম্পের ভাষ্য, প্রশাসনে এই পরিবর্তন আরও রদবদলের সূচনা হতে পারে। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে সরানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। ইরান যুদ্ধের ব্যর্থতার দায় তার ওপর চাপিয়ে পদত্যাগের চাপ তৈরির খবরের মধ্যে হেগসেথের ওপর আস্থা আছে কিনা, এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, হ্যাঁ, আমার আস্থা আছে।












