বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেছেন, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের শহীদদের যেভাবে রাষ্ট্র মূল্যায়ন করছে, আমরা চাই শাপলার শহীদদেরও সেভাবে মূল্যায়ন করা হোক। কারণ জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের ভিত রচিত হয়েছে শাপলার গণহত্যা থেকে। শাপলা না হলে জুলাই হতো না, জুলাই না হলে স্বৈরাচারীর পতন হতো না। আমরা আমাদের রক্তের মূল্যায়ন পাইনি। আলেম সমাজ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবসময় সরব ছিলো, ভবিষ্যতেও থাকবে।
গত ৩০ অক্টোবর দিবাগত রাতে হাটহাজারী পার্বতী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হাটহাজারীর আল–আমিন সংস্থার ৩দিনব্যাপী তাফসীর মাহফিলের সমাপনী দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা রিজওয়ান আরমান ও মাওলানা আইয়ুব জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় শুরু হওয়া তাফসীর মাহফিলে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ক্বারী মাওলানা সাঈদুল ইসলাম আসাদ। মাহফিলে অধিবেশনভিত্তিক ধারাবাহিক সভাপতিত্ব করেন, মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফতেপুরী, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ ও মাওলানা ওসমান সিকদার। আল–আমিন সংস্থার পক্ষ থেকে সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেন সেক্রেটারি মুহাম্মাদ আহসান উল্লাহ। তাফসীরুল কোরআন মাহফিলে মুফতী মোহাম্মদুল্লাহ এমপিকে আল–আমিন সংস্থার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।মাহফিলের সমাপনী দিবসে আরও তাফসীর পেশ করেন, আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী, মুফতী মুস্তাকুন্নবী কাসেমী, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মুফতী সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাওলানা মোহাম্মদুল্লাহ এমপি, মাওলানা আব্দুল বাসেত খান, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী, মাওলানা ইসমাইল খান, মাওলানা সিরাজুল্লাহ মাদানী, মুফতী সোলাইমান প্রমুখ।










