শিশুসাহিত্যিকদের রচনা থেকে ছোটোরা অনুসন্ধিৎসু মন দিয়ে খুঁজে পায় জীবনের বিচিত্র রূপ

শিশুসাহিত্য উৎসবের সমাপনী দিনে বক্তারা

| রবিবার , ১ নভেম্বর, ২০২৬ at ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশ শিশুসাহিত্য একাডেমি আয়োজিত দুদিনব্যাপী শিশুসাহিত্য উৎসবের সমাপনী দিনে বক্তারা বলেছেন, শিশুসাহিত্য হলো ছোটোদের এক রঙিন জগৎ। তাদের মনে বিশুদ্ধ আনন্দরস সঞ্চারের জন্য এই সাহিত্য রচনা করা হয়। এগুলো পড়ে ছোটোরা মজা পায়, আনন্দ পায়, পরিতৃপ্ত হয়। ছো্‌টোদের চঞ্চল, কল্পনাপ্রবণ ও জিজ্ঞাসু মনকে অনুষঙ্গ করে সাহিত্য রচনা করেন লেখকরা। তাঁরা বলেন, হাসি, কৌতুক, মজা বা আনন্দ গ্রহণের অন্তরালে ছোটোরা অনায়াসে পেয়ে যায় জাগতিক জ্ঞান, বুদ্ধি–যুক্তি ও চিন্তার চমৎকার উপাদান। শিশুসাহিত্যিকদের এসব রচনা থেকে জীবনকে দেখবে এবং অনুসন্ধিৎসু মন দিয়ে খুঁজে পায় জীবনের বিচিত্র রূপ।

গতকাল শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমিতে শিশুসাহিত্যিক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক ঝর্না রহমান। কবি জসিমউদ্দিন খানের সভাপতিত্বে এতে আলোচক ছিলেন গল্পকার বিপুল বড়ুয়া, শিশুসাহিত্যিক আহমেদ জসিম, কথাসাহিত্যিক মিলা মাহফুজা, প্রাবন্ধিক কাঞ্চনা চক্রবর্তী।

এরপর অনুষ্ঠিত হয় ‘নতুন বইয়ের সৌরভে : পাঠ–উন্মোচন’ অনুষ্ঠান। এতে সভাপতিত্ব করেন কথাসাহিত্যিক দীপক বড়ুয়া। প্রধান অতিথি ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক ড. হরিশংকর জলদাস। এতে যাঁদের বইয়ের পাঠ উন্মোচন হয়, তাঁরা হলেন–দীপক বড়ুয়া– রাঙা পায়ে বিকেল চলে, সৈয়দ জিয়াউদ্দিন– জুম সবুজের পাহাড়ে, ইফতেখার মারুফ– পাক্কা রাঁধুনি, চন্দ্রশিলা ছন্দা– শ্রাবণ দিনের চিঠি, কাসেম আলী রানা– বাবার জন্য লাল গোলাপ, লিটন কুমার চৌধুরী– ঘুঘু ডাকা রোদের দুপুর, রুনা তাসমিনা– সোনালী জানালার রহস্য, ফারহানা ইসলাম রুহী– জঙ্গলে রহস্যময় পাহারাদার, জোনাকি দত্ত–দুরবিন মামার চাঁদ দেখা, ইলিয়াছ হোসেন– আমায় ডাকে সন্ধ্যাতারা, জিএম জহির উদ্দীন–মেঘের দেশে সূর্য হাসে, রাসু বড়ুয়া– নীল নীলিমায় রঙিন ঘুড়ি, ইসমাইল জসীম –গুহার ভেতর একদিন, অরুণ শীল– চট্টগ্রামের শিশুসাহিত্য, কানিজ ফাতিমা– ঘাসের ডগায় শিশির নাচে, সুবর্ণা দাশ মুনমুন–পকেটে তার হাওয়াই মিঠাই। এরপর ছোটোদের নাটক বিষয়ে কথামালায় অতিথি ছিলেন নাট্যব্যক্তিত্ব রবিউল আলম। শুরুতে ‘হই বইমুখী– হবো চিরসুখী’ : শিক্ষক–অভিভাবক সংলাপে সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ তরুণ কান্তি বড়ুয়া। এতে অতিথি ছিলেন গবেষক মুহাম্মদ শামসুল হক। আলোচক ছিলেন ড. নারায়ন বৈদ্য, ড. প্রণব কুমার চৌধুরী, নেছার আহমদ, জাহাঙ্গীর মিঞা, মোহাম্মদ জহির, সাইফুদ্দিন আহমেদ সাকী, সুলতানা নুরজাহান রোজী, গাজী মোহাম্মদ নুরউদ্দিন।

দুই পর্বে স্বরচিত লেখা পাঠ পর্বে সভাপতিত্ব করেন কবি উৎপলকান্তি বড়ুয়া ও কবি মর্জিনা আখতার। অতিথি ছিলেন কবি অতনু টিকাইৎ ও অবিনাশ আচার্য। ছড়া–কবিতাপাঠে অংশ নেন কবি এয়াকুব সৈয়দ, মাহবুবুল হাসান, আলেক্স আলীম, মৃণালিনী চক্রবর্তী, শিবুকান্তি দাশ, বশির উদ্দিন কনক, বিচিত্রা সেন, ফারজানা রহমান শিমু, হাসান মেহেদী, কৌশিক রেইন, অপু চৌধুরী, কুতুবউদ্দিন বখতেয়ার, সিমলা চৌধুরী, আলম নজরুল, নূরনাহার নিপা, বিকাশ বড়ুয়া, মাহবুব পলাশ, নান্টু বড়ুয়া, শেলীনা আকতার খানম, রায়হানা হাসিব, চাঁদ সুলতানা নকশী, সেবপ্রিয় বড়ুয়া সিদ্ধার্থ, দেবাশীষ কান্তি বিশ্বাস, রোকেয়া হক, সালাউদ্দিন শাহরিয়ার, মুহাম্মদ মহসীন চৌধুরী, প্রীতিশ রঞ্জন বড়ুয়া, আরিফ রায়হান, পিংকু দাশ, কুমুদিনী কলি, সোমা মুৎসুদ্দী, বিভাস গুহ, লিপি তালুকদার, তটিনী তনু, প্রতিমা দাশ, আশীষ বসাক, ছন্দা চক্রবর্তী, মিলন বনিক, শিরিন আফরোজ, সুমি দাশ, রাফিয়া ডলি, নুসরাত সুলতানা, খন রঞ্জন রায়, ফারিহা জেসমিন ইসলাম, নাসিমা শওকত, মহুয়া চৌধুরী, নেভি বড়ুয়া, মোহাম্মদ আবু তাহের কাজল, নিলুফা ইয়াসমিন জয়িতা, সবুজ বড়ুয়া, মাজাহার হেলাল, জিতেন্দ্রলাল বড়ুয়া, দীপিকা বড়ুয়া, মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী, এস এস ফোরকান আবু, তুহিন তঞ্চঙ্গ্যা, নাহিদ আকতার লাকী, মহিউদ্দিন ইমন, শর্মিষ্ঠা চৌধুরী, মনজুর আলম মঞ্জু, জনপ্রিয় বড়ুয়া, সুপর্ণা লিপি বড়ুয়া, মোহাম্মদ নূর উদ্দীন, মোয়াজ্জেম হোসেন, শাহিদা আয়শা, মর্জিনা হক চৌধুরী পপি, আবদুল হান্নান হীরা, মো. আসিফ ইকবাল, কাকলী দাশগুপ্তা, আহসান হাবীব নাসিম, রাজশ্রী মজুমদার, শর্মি বড়ুয়া, কানিজ ফাতেমা লিমা, সঞ্চিতা তালুকদার প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধঐতিহ্যের স্মারক একোয়ার নলেজ গেটটি পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি
পরবর্তী নিবন্ধফররুখ আহমদের সাহিত্যচর্চায় ভিন্নতা তাঁকে যুগ যুগ ধরে বাঁচিয়ে রাখবে