আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠানরনত ফিফা অনূর্ধ্ব–১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে জয়ের ধারা বজায় রেখে প্লেট পর্বের ফাইনালে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। ‘গ্রুপ ই’–এর সেমিফাইনাল ম্যাচে আফ্রিকার দেশ গ্যাবনকে ১–০ ব্যবধানে পরাজিত করে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে লাল–সবুজের প্রতিনিধিরা। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকেই দারুণ ফুটবল উপহার দেয় তরুণ বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৪তম মিনিটে চমৎকার এক গোলে দলকে প্রথম এগিয়ে নেন রাতুল। তার করা এই গোলটিই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়ার পর বাকিটা সময় ব্যবধান ধরে রেখে সুনিয়ন্ত্রিত রক্ষণে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশের কিশোরেরা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পক্ষ থেকে এই ফল নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে রাউন্ড অব থার্টি–টুতে সেশেলস ও শেষ ষোলোর শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে সিঙ্গাপুরকে টাইব্রেকারে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ।কোয়ার্টার–ফাইনালে পাভেল–বায়েজিদদের নৈপুণ্যে তারা মন্টেনেগ্রোকে উড়িয়ে দেয়। শেষ আটের এই বাধা পেরিয়ে সেমিফাইনালে এসে গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে নাম লেখায় বাংলাদেশ। ই–টায়ারের কোয়ার্টার–ফাইনালে বাংলাদেশ জয়লাভ করে ৪–০ গোলে। জোড়া গোল করেন পাভেল হাসান। একবার করে জালের দেখা পান মোহাম্মদ বায়েজিদ ও শিবাক কুমার মালি। নবম মিনিটে বায়েজিদের লক্ষ্যভেদে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ৪০ মিনিটের ম্যাচের প্রথমার্ধ তারা শেষ করে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে।
দ্বিতীয়ার্ধে জোড়া গোলে দলের জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে দেন পাভেল। পাভেলের দুই গোলের মাঝে জালের দেখা পান শিবাক। সব মিলিয়ে এই আসরে আট ম্যাচে চতুর্থ জয় পেল বাংলাদেশ। ওয়েলসের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে বাছাই শুরুর পর, পর্তুগালের বিপক্ষে ৩–১ ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ। তৃতীয় ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার সাথে ১–১ ড্র করে তারা। এরপর, বুরুন্ডির বিপক্ষে ২–০ গোলে হারের পর, ফিজিকে বিপক্ষে ৩–১ ব্যবধানে জিতেছিল দল। শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে নির্ধারিত সময়ের খেলা ১–১ সমতায় শেষের পর, সিশেলসের বিপক্ষে টাইব্রেকারে ৪–২ গোলে জয় পায় বাংলাদেশ। এরপর শেষ ষোলোর ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ের খেলা ১–১ সমতায় শেষের পর, টাইব্রেকারে ৪–৩ গোলে জিতেছিল দল।












