চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানা মসজিদের দক্ষিণে উপজেলা সড়কের ডাস্টবিন ও তার পাশে সড়কের উপর যত্রতত্র ফেলে রাখা ময়লা–আবর্জনার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরা শত শত মুসল্লি ও সাধারণ পথচারীরা। শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে দেখা যায়, থানা মসজিদ থেকে জুমার নামাজ আদায় করে শত শত মুসল্লি বের হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই উপজেলা সড়কের উপর দেখা যায় এক ভিন্ন ও অস্বস্তিকর চিত্র। সড়কের পাশে থাকা ডাস্টবিন এবং এর বাইরে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে থাকা দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা–আবর্জনাগুলো একদল কাক ঠোঁটে করে টেনেহিঁচড়ে চারদিকের রাস্তায় ছড়াচ্ছে। এতে পুরো এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া মুসল্লি ও পথচারীদের কাপড় ও শরীরে ময়লা লাগার উপক্রম হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নামাজ শেষে ফেরা এক মুসল্লি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পবিত্র জুমার নামাজ পড়ে বের হয়েই এমন নোংরা পরিবেশ দেখতে হলো। কাকেরা ময়লা টেনে এনে রাস্তার মাঝখানে ফেলছে। দুপুর ২টা বেজে গেলেও পৌরসভার কোনো গাড়ি এই আবর্জনা পরিষ্কার করতে আসেনি। দুর্গন্ধের কারণে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে। বিবিরহাট বাজারের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ– এটি কোনো একদিনের ঘটনা নয়, প্রায় সময়ই জুমার নামাজের দিন দুপুর গড়িয়ে গেলেও পৌরসভার গাড়ি ময়লা নিতে আসে না। ফলে কাক ও কুকুরের দল সেগুলো টেনে পুরো রাস্তা নোংরা করে পরিবেশ বিনষ্ট করছে। অন্যদিকে, পৌর সদরে গড়ে ওঠা বহুতল দালানের ভাড়াটিয়া ও বাসিন্দাদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতাকেও দায়ী করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযোগ রয়েছে, এসব ভবনের বাসিন্দারা ডাস্টবিনের ভেতরে ময়লা না ফেলে যত্রতত্র এবং ডাস্টবিনের বাইরে ময়লা ফেলে পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিনষ্ট করছেন। এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিপ্লব চন্দ্র মুহুরী বলেন, সকালে নিয়মিতভাবে পৌরসভার ময়লা আবর্জনা নিয়ে যাওয়া হয়। তবে শুক্রবারে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হলো, তা দ্রুত খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।













