চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন শুনানির সময় অসংলগ্ন কথা বলা ও অস্বাভাবিক আচরণের অভিযোগে এক আইনজীবীকে ডোপ টেস্ট করানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ওই আইনজীবীর নাম শাহেদুল হক। গত বুধবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট–৪ এর বিচারক মোহাম্মদ মোস্তফা এ আদেশ দেন। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় গতকাল।
আদালতসূত্র জানায়, গত বুধবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট–৪ এ নগরীর হালিশহর থানার একটি নালিশি মামলার আসামি এমরান চৌধুরীর জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী শাহেদুল হক। কিন্তু শুনানি শুরু করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী শ্যামলী চৌধুরী। এ সময় আদালত জানতে চান, বাদীপক্ষের আইনজীবী আসামির জামিনের শুনানি করতে পারেন কি না। জবাবে শ্যামলী চৌধুরী জানান, আসামির আইনজীবী শাহেদুল হক আদালতে আসতে চাইছেন না। তাই তিনি জামিনের শুনানি করতে চান। একই সঙ্গে আসামির জামিনে তার কোনো আপত্তি নেই বলেও আদালতকে জানান তিনি। তখন আদালত বলেন, জামিন শুনানিতে আসামির আইনজীবীর উপস্থিতি প্রয়োজন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকালে আইনজীবী শাহেদুল হক আদালতে উপস্থিত হন। এ বিষয়ে আদালতের আদেশে বলা হয়, এ সময় তিনি অপ্রকৃতিস্থ ছিলেন এবং বলেন, আসামি ভুল করেছে আর ভুল করবে না। আদালতের নিকট জামিন চাই। আদেশে আরও বলা হয়, তার কথা জড়িয়ে যাচ্ছিল এবং পোশাক–পরিচ্ছদও স্বাভাবিক ছিল না। এ অবস্থায় তিনি মদ্যপান করেছেন বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন দৈনিক আজাদীকে বলেন, আদেশের কপি আমাদের কাছেও একটি এসেছে। ডোপ টেস্টে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমরা বিষয়েটি বার কাউন্সিল বরাবর অবহিত করব।













